এ ব্লগ এর লেখা এখানে লেখা হয়। সকল নতুন পোস্ট ও টিউটোরিয়াল এখানে পাবেন।

জীবনী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জীবনী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০০৯

কম্পিউটার বিজ্ঞানের তিন জন মহামানব

সবাইকে ইংরেজী নববর্ষ এর শুভেচ্ছা । আজ আমি যে টিউন টা করবো এটা হয়ত কার উপকারে আসবে না ,তবে এ থেকে কিছু তথ্য হয় ত পেতে পারেন । আজ আমি কয় একজন মহামানবের সাথে আপনাদের পরিচয় করে দিবো যাদের জন্য হয় আজ আমি টেকটিউনস এ টিউন করতে পারছি এবং আপনারা টিউন পড়তে পারছেন। ১ম আমি যে ব্যক্তি তার নাম বলবো তিনি হলে

আধুনিক কম্পিউটারের জনক চার্লস ব্যাবেজ

চার্লস ব্যাবেজ (২৬শে ডিসেম্বর, ১৭৯১—১৮ই অক্টোবর, ১৮৭১) একজন ইংরেজ গণিতবিদ। তাঁকে কম্পিউটারের জনক হিসাবে অভিহিত করা হয়। তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিন ও অ্যানালাইটিকাল ইঞ্জিন নামের দুইটি যান্ত্রিক কম্পিউটার তৈরী করেন। তাঁর তৈরি অ্যানালাইটিকাল ইঞ্জিন যান্ত্রিকভাবে গাণিতিক অপারেশন সম্পাদন করতে পারত এবং এর বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য আজকের কম্পিউটারের ডিজাইনে এখনও গুরুত্বপূর্ণ। অর্থায়নের অভাবে ব্যাবেজ তাঁর প্রকল্পটি সম্পূর্ণ করতে পারেননি।

CharlesBabbage কম্পিউটার বিজ্ঞানের তিন জন মহামানব | Techtunes

আধুনিক কম্পিউটারের জনক চার্লস ব্যাবেজ

এবার যে ব্যক্তি তার নাম বলবো তিনি

ইমেইল সিস্টেম জনক রে টমলিনসন

রে টমলিনসন (জন্ম ১৯৪১ ) ১৯৭০ সালের দিকে নেটেনক্স অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে লোকাল ইমেইল সিস্টেম উদ্ভাবন করেন যা SNDMSG এবং READMAIL হিসেবে নামকরন করা হয়। ১৯৭১ এর দিকে তিনি পুনরায় আরপানেট উপযোগী একটি ইমেইল সিস্টেম উদ্ভাবন করেন। তিনই প্রথম ইমেলের প্রাপপকে চিহিৃত করার জন্য @ সিম্বল ব্যবহার করেন যা বর্তমান ইমেইল সিস্টেমে ব্যবহার হয়ে থাকে।

এর পরবর্তি সময় থেকে ক্রমান্বয়ে MAIL, MLFL, RD, NRD, WRD, MSG, MMDF ও Send Mail সহ বিভিন্ন মেইলিং সিস্টেম ও স্টান্ডার্ড উদ্ভাবিত হয়।

1971 tomlinson12 কম্পিউটার বিজ্ঞানের তিন জন মহামানব | Techtunes

ইমেইল সিস্টেম জনক রে টমলিনসন

এবার যে ব্যক্তি তার নাম বলবো তিনি

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (www) জনক স্যার টিম বার্নার্স-লি

স্যার টিম বার্নার্স-লি (জন্ম জুন ৮, ১৯৫৫) ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব কনসোর্টিয়ামের ডিরেক্টর।১৯৮৯ সালে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় সার্ন এই কর্মরত অবস্থায় স্যার টিম বার্নার্স-লি ওয়ার্লড ওয়াইড ওয়েব তৈরি করেন। সেটা থেকে শুরু করে ওয়েবের উন্নতিসাধনে তিনি গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। উদাহরণস্বরূপ, তিনি মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ তৈরিতে ভূমিকা রাখেন যার মাধ্যমে ওয়েবপেজ অলঙ্করণ বা কম্পোজ করা হয়। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি সেমান্টিক ওয়েব তৈরিতেও উত্সাহ প্রদান করেছেন।

Tim Berners Lee কম্পিউটার বিজ্ঞানের তিন জন মহামানব | Techtunes

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (www) জনক স্যার টিম বার্নার্স-লি

তথ্যসুত্র : উইকিপিডিয়া

বৃহস্পতিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০০৯

ভালোবাসার একটি আশ্চর্য্য নিদর্শন

ভালোবাসা একটি মানবিক অনুভূতি এবং আবেগকেন্দ্রিক একটি অভিজ্ঞতা। বিশেষ কোন মানুষের জন্য স্নেহের শক্তিশালী বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে ভালোবাসা। তবুও ভালোবাসাকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে ভাগ করা যায়। আবেগধর্মী ভালোবাসা সাধারণত গভীর হয়,বিশেষ কারো সাথে নিজের সকল মানবীয় অনুভূতি ভাগ করে নেয়া, এমনকি শরীরের ব্যাপারটাও এই ধরনের ভালোবাসা থেকে পৃথক করা যায়না। আর এই ভালোবাসা জন্যই মুঘল সম্রাট শাহজাহান তাঁর স্ত্রী আরজুমান্দ বানু জন্য তৈরী করেন আশ্চর্য্য নিদর্শন ।

তাজ মহল ভারতের আগ্রায় অবস্থিত একটি রাজকীয় সমাধি। মুঘল সম্রাট শাহজাহান তাঁর স্ত্রী আরজুমান্দ বানু বেগম যিনি মুমতাজ মহল নামে পরিচিত তার স্মৃতির উদ্দেশ্যে এই অপূর্ব সৌধটি নির্মাণ করেন।। সৌধটি নির্মাণ শুরু হয়েছিল ১৬৩২ খ্রিস্টাব্দে যা সম্পূর্ণ হয়েছিল প্রায় ১৬৪৮ খ্রিস্টাব্দে। সৌধটির নকশা কে করেছিলেন এ প্রশ্নে অনেক বিতর্ক থাকলেও, এ পরিষ্কার যে শিল্প-নৈপুন্য সম্পন্ন একদল নকশাকারক ও কারিগর সৌধটি নির্মাণ করেছিলেন যারা উস্তাদ আহমেদ লাহুরীর সাথে ছিলেন, যিনি তাজ মহলের মূল নকশাকারক হওয়ার প্রার্থীতায় এগিয়ে আছেন। তাজ মহলকে (কখনও শুধু তাজ নামে ডাকা হয়) মুঘল স্থাপত্যশৈলীর একটি আকর্ষণীয় নিদর্শন হিসেবে মনে করা হয়, যার নির্মাণশৈলীতে পারস্য, তুর্কী, ভারতীয় এবং ইসলামী স্থাপত্যেশিল্পের সম্মিলন ঘটানো হয়েছে। যদিও সাদা মার্বেলের গোম্বুজাকৃতি রাজকীয় সমাধীটিই বেশি সমাদৃত, তাজমহল আসলে সামগ্রিকভাবে একটি জটিল অখন্ড স্থাপত্য। এটি ১৯৮৩ সালে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল। তখন একে বলা হয়েছিল ।

Taj1 ভালোবাসার একটি আশ্চর্য্য নিদর্শন। | Techtunes

তাজ মহল

মুঘল সম্রাট শাহজাহান এর স্ত্রী আরজুমান্দ বানু বেগম এর পরিচিতি :

মুমতাজ মহল সাধারন ডাকনাম আরজুমান্দ বানু বেগম , যিনি ভারতের আগ্রায় ১৫৯৩ খ্রিস্টাব্দের এপ্রিল মাসে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতা ছিলেন পারস্যের মহানুভব আবদুল হাসান আসাফ খান, যিনি সম্রাট জাহাঙ্গীরের স্ত্রী নূর জাহানের ভাই। মুমতাজ ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন। তার বিয়ে হয়েছিল মাত্র ১৯ বছর বয়সে মে ১০, ১৬১২ খ্রিস্টাব্দে যুবরাজ খুর্‌রম এর সাথে, যিনি পরবর্তীতে মুঘল সম্রাট শাহ জাহান (প্রথম) নামে তাখ্‌ত ই তাউস বা ময়ূর সিংহাসনে বসেন। মুমতাজ শাহ জাহানের দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন এবং তিনি শাহ জাহানের পছন্দের ছিলেন। মুমতাজ মৃত্যুবরণ করেন ডেক্কান বর্তমানে মধ্যপ্রদেশের অন্তর্গত বুরহানপুরে জুন ১৭, ১৬৩১ খ্রিস্টাব্দে তার চতুর্দশ সন্তান জন্মদানের সময়, এক কন্যা সন্তান জন্ম দিয়েছিলেন নাম রাখা হয়েছিল গৌহর বেগম। মৃত্যুর পর মুমতাজকে সমাহিত করা হয়েছিল আগ্রার তাজ মহলে।

Mughal painting2 ভালোবাসার একটি আশ্চর্য্য নিদর্শন। | Techtunes

আরজুমান্দ বানু বেগম ,আঁকা ছবি

মুঘল সম্রাট শাহজাহান এর পরিচিতি :

  • জন্মের সময় রাখা নাম : গিয়াস-উদ্দিন মুহাম্মদ
  • পারিবারিক নাম : তীমুরীয়
  • উপাধী : মুঘল সম্রাজ্যের সম্রাট
  • জন্ম : জানুয়ারি ৫, ১৫৯২
  • জন্মস্থান : লাহোর
  • মৃত্যু : জানুয়ারি ২২, ১৬৬৬
  • মৃত্যুস্থান : আগ্রা
  • সমাধী : তাজ মহল
  • উত্তরাধিকারী : আওরঙ্গজেব

Shahjahan on globe ভালোবাসার একটি আশ্চর্য্য নিদর্শন। | Techtunes

“ভূ-গোলকের উপর শাহ জাহান” স্মিথসোনিয়ান ইনস্টিটিউট থেকে নেওয়া ।

তাজ মহল তৈরীর সূচনা :

১৬৩১ খ্রিস্টাব্দে শাহ জাহান, যিনি মুঘল আমলের সমৃদ্ধশালী সম্রাট ছিলেন। তার দ্বিতীয় স্ত্রী মুমতাজ মহল এর মৃত্যুতে প্রচন্ড ভাবে শোকাহত হয়ে পড়েন। মুমতাজ মহল তখন তাদের চতুর্দশ কন্যা সন্তান গৌহর বেগমের জন্ম দিতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেছিলেন । তাজ মহলের নির্মাণ কাজ মুমতাজের মৃত্যুর খুব শীঘ্রই শুরু হয়। মূল সমাধিটি সম্পূর্ণ হয় ১৬৪৮ খ্রিস্টাব্দে এবং এর চারদিকের ইমারত এবং বাগান আরও পাঁচ বছর পরে তৈরি হয় ।

নির্মাণ :

তাজ মহল দেয়াল ঘেরা আগ্রা শহরের দক্ষিণ অংশের একটি জমিতে তৈরি করা হয়েছিল যার মালিক ছিলেন মহারাজা জয় শিং। শাহজাহান তাকে আগ্রার মধ্যখানে একটি বিশাল প্রাসাদ দেওয়ার বদলে জমিটি নেন। তাজ মহলের কাজ শুরু হয় সমাধির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে। প্রায় ৩ একর জায়গাকে খনন করে তাতে আলগা মাটি ফেলায় হয় নদীর ক্ষরণ কমানোর জন্য। সম্পূর্ণ এলাকাকে নদীর পাড় থেকে প্রায় ৫০ মিটার উঁচু করা সমান করা হয়। তাজ মহল ৫৫ মিটার লম্বা। সমাধিটি নিজে ব্যাসে ১৮ মিটার এবং উচ্চতায় ২৪ মিটার।

ভিত্তি আর সমাধি নির্মাণ করতে সময় লেগেছিল প্রায় ১২ বছর। পুরো এলাকার বাকি অংশগুলো নির্মাণ করতে লেগেছিল আরও ১০ বছর। (যেহেতু চত্তর এলাকাটি কয়েকটি ভাগে নির্মিত হয়েছিল তাই তৎকালী ইতিহাস লেখকগণ নির্মাণ শেষের বিভিন্ন তারিখ উল্লেখ করেন। যেমন সমাধিটির কাজ শেষ হয়েছিল ১৬৪৩ খ্রিস্টাব্দে, কিন্তু বাকি অংশগুলোর কাজ তখনও চলছিল।

TajPlanMughalGardens ভালোবাসার একটি আশ্চর্য্য নিদর্শন। | Techtunes

তাজ মহলের মেঝের বিন্যাস

Taj From Agra Fort ভালোবাসার একটি আশ্চর্য্য নিদর্শন। | Techtunes

আগ্রার কেল্লা থেকে তাজ মহল দেখা যাচ্ছে

কারিগর , মালামাল সামগ্রী, উপাদান ও খরচ :

তাজ মহল কোন একজন ব্যক্তির দ্বারা নকশা করা নয়। এ ধরণের প্রকল্পে অনেক প্রতিভাধর লোকের প্রয়োজন।বিভিন্ন উৎস থেকে তাজ মহল নির্মাণ কাজে যারা অংশ নিয়েছিলেন তাদের বিভিন্ন নাম পাওয়া যায়।

  • পারস্যদেশীয় স্থপতি, ওস্তাদ ঈসা; চত্তরের নকশা করার বিশেষ ভূমিকায় অনেক স্থানেই তার নাম পাওয়া যায় ।
  • পারস্য দেশের (ইরান) বেনারসের ‘পুরু’; ফারসি ভাষার এক লেখায় তাকে তত্ত্ববধায়ক স্থপতি হিসেবে উল্লেখ করেছে।
  • বড় গম্বুজটির নকশা করেছিলেন ওত্তোমান সম্রাজ্য থেকে আসা ইসমাইল খাঁন , যাকে গোলার্ধের প্রথম নকশাকারী এবং সে যুগের একজন প্রধান গম্বুজ নির্মাতা মনে করা হয়।
  • কাজিম খাঁন, লাহোরের বাসিন্দা, বড় গম্বুজের চূড়ায় যে স্বর্ণের দন্ডটি ছিল, তিনি তা গড়েছিলেন।
  • চিরঞ্জিলাল, একজন পাথর খোদাইকারক যিনি দিল্লী থেকে এসেছিলেন; প্রধান ভাস্কর ও মোজাইকারক হিসেবে নেওয়া হয়েছিল ।
  • পারস্যের (সিরাজ, ইরান) আমানত খাঁন, যিনি প্রধান চারুলিপিকর (তার নাম তাজ মহলের প্রবেশপথের দরজায় প্রত্যায়িত করা আছে, সেখানে তার নাম পাথরে খোদাই করে লেখা আছে)
  • মোহাম্মদ হানিফ রাজমিস্ত্রিদের তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন ।
  • সিরাজ, ইরান থেকে মীর আব্দুল করিম এবং মুক্কারিমাত খাঁন, যারা ব্যবস্থাপনা ও আর্থিক দিকগুলো সামাল দিতেন ।

মালামাল সামগ্রী ও উপাদানঃ

তাজ মহল তৈরি হয়েছে সাড়া এশিয়া এবং ভারত থেকে আনা বিভিন্ন উপাদান সামগ্রী দিয়ে। নির্মাণ কাজ্রে সময় ১,০০০ এর ও বেশি হাতি ব্যবহার করা হয়েছিল নির্মাণ সামগ্রী বহন করে আনার জন্য। আলো-প্রবাহী অস্বচ্ছ সাধা মার্বেল পাথর আনা হয়েছিল রাজস্থান থেকে, ইয়াশ্‌ব্‌- লাল, হলুদ বা বাদামী রঙের মধ্যম মানের পাথর আনা হয়েছেল পাঞ্জাব থেকে। চীন থেকে আনা হয়েছিল ইয়াশ্‌ম্‌- কঠিন, সাধা, সবুজ পাথর, স্ফটিক টুকরা। তিব্বত থেকে বৈদূর্য সবুজ-নীলাভ (ফিরোজা) রঙের রত্ন এবং আফগানিস্তান থেকে নীলকান্তমণি আনা হয়েছিল। নীলমণি- উজ্জ্বল নীল রত্ন এসেছিল শ্রীলঙ্কা এবং রক্তিমাভাব, খয়রি বা সাধা রঙের মূল্যবান পাথর এসেছিল আরব থেকে। এ ধরণের আটাশ ধরনের মূল্যবাদ এবং মহামূল্যবান পাথর সাদা মার্বেল পাথরেরে উপর বসানো রয়েছে।

খরচঃ

তৎকালীন নির্মাণ খরচ অনুমান করা কঠিন ও কিছু সমস্যার কারণে তাজ মহল নির্মাণে কত খরচ হয়েছিল তার হিসাবে কিছুটা হেরফের দেখা যায়। তাজ মহল নির্মাণে তৎকালীন আনুমানিক ৩২মিলিয়ন রুপি খরচ হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। কিন্তু শ্রমিকের খরচ, নির্মাণে যে সময় লেগেছে এবং ভিন্ন অর্থনৈতিক যুগের কারণে এর মূল্য অনেক, একে অমূল্য বলা হয়।

অলঙ্করণ পাথরের খোদাই :


TajJaliArch ভালোবাসার একটি আশ্চর্য্য নিদর্শন। | Techtunes

জালির চাপ, স্মৃতিস্তম্ভের প্রবেশপথে

TajJaliPiercwork ভালোবাসার একটি আশ্চর্য্য নিদর্শন। | Techtunes

সূক্ষ ছেদ করা কারুকাজ

TajJaliInlay ভালোবাসার একটি আশ্চর্য্য নিদর্শন। | Techtunes

কারুকাজ

পর্যটনকেন্দ্র :

তাজ মহলের নির্মাণের পর থেকেই তাজ মহল বহু পর্যটককে আকর্ষিত করেছে। এমনকি তাজ মহলের দক্ষিণ পাশে ছোট শহর তাজ গঞ্জি বা মুমতাজাবাদ আসলে গড়ে তোলা হয়েছিল পর্যটকদের জন্য সরাইখানা ও বাজার তৈরির উদ্দেশ্যে যাতে পর্যটক এবং কারিগরদের চাহিদা পূরণ হয় । বর্তমানে, তাজ মহলে ২ থেকে ৩ মিলিয়ন পর্যটক আসে যার মধ্যে ২,০০,০০০ পর্যটক বিদেশী, যা ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র। সবচেয়ে বেশি পর্যটক আসে ঠান্ডা মৌসুমে অক্টোবর, নভেম্বর ও ফেব্রুয়ারি মাসে। বায়ূ দূষণকারী যানবাহন তাজ মহলের কাছে আসা নিষিদ্ধ তাই পর্যটকদের গাড়ী রাখার স্থান থেকে পায়ে হেঁটে অথবা বৈদুতিক বাসে করে তাজ মহলে আসতে হয় । খাওয়াসপুরা গুলো পর্যটকদের জন্য পুনরায় চালু করা হয়েছে।

TajGardenWide ভালোবাসার একটি আশ্চর্য্য নিদর্শন। | Techtunes

রৈখিক চৌবাচ্চার পাশ দিয়ে হাটার রাস্তা

তথ্যসূএ : উইকিপিডিয়া

জানি না টিউন টি আপনাদের কেমন লাগলো , যদি ভালো লাগে বা টিউনটি সম্পর্কে কোন অভিযোগ থাকলে অবশ্যই মন্তব্য এর করে জানাবেন।

শুক্রবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০০৯

হাসপাতালে বসে আঁকা সত্যজিৎ রায়ের সর্বশেষ ছবি

সত্যজিৎ রায় কে চিনেন না আমন লোক নেই । নিচের ছবিটি অনেকে দেখেছেন । সত্যজিৎ রায়ের হাসপাতালে বসে এই ছবি এঁকে ছেন (সর্বশেষ ছবি)।ছবি টি যারা এর আগে দেখেনি , তারা হয় তো বলছে এটা আর এমন কি ছবি , সাধারন একটা গাছ মাত্র । কিন্তু এটা কোন সাধারন গাছ না …..খুবেই মনযোগ দিয়ে লক্ষ্য করুন …কি কিছু বুছলেন না। আসলে এই ছবিটির মধ্যে বিশেষ কিছু ব্যক্তির ছবি আছে (বিশেষ ব্যক্তিরা হলেন, উপর থেকে জীবনান্দ , মহত্তা গান্দী, নজরুল, আজাদ , নেহেরু, বিদ্যাসাগর, বক্মিম, ইন্দিরা গান্দী , সুবাস চন্দ্র বসু, মাদার তেরেসা রবি ঠাকুর)। যারা ধরতে পারছেন না তারা একদম নিচে দেখেন…

সত্যজিৎ রায়

সত্যজিৎ রায়

2009 copy4 হাসপাতালে বসে আঁকা সত্যজিৎ রায়ের সর্বশেষ ছবি  | Techtunes