এ ব্লগ এর লেখা এখানে লেখা হয়। সকল নতুন পোস্ট ও টিউটোরিয়াল এখানে পাবেন।

প্রতিবেদন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
প্রতিবেদন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০১০

অনলাইনে আয়ের ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সিং কথা ভাবছেন তাহলে দেশি সাইটা দেখে যান

আমাদের দেশে অনলাইন ভুবনের তরুণদের কাছে বহুল আলোচিত বিষয়ের একটি হচ্ছে অনলাইন আউটসোর্সিং ফ্রিল্যান্সিং ।ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্যকে পুরোপুরি বদলে দিতে সক্ষম হয়েছেন অনেকেই ৷পড়ালেখার পাশাপাশি বা পড়ালেখা শেষে ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং করে যে কেউ গড়ে নিতে পারেন আপনার নিজের ভবিষ্যত্ ক্যারিয়ার । আপনি এ কাজ করতে পারেন ইন্টারনেটে অনেকগুলো জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট রয়েছে । কিন্তু এগুলোতে কাজ পাওয়া অনেক কঠিন । আপনি নতুন অবস্থায় অনেক বিড করেও কাজ পান এবং হতাশ হয়ে ফ্রিল্যান্সিং ছেরে দেয়ার কথা বলেন। আপনাদের কথা মাথায় রেখে বাংলাদেশে তৈরি হল বিডিটি ফ্রিল্যান্সার নামে এক ওয়েব সাইট। সাইট চালু হরার মাত্র ১ মাস হয়েছে । সাইট টি নতুন হলেও এর পেমেন্ট সিস্টেম অনেক ভাল।এখানে আপনি ডাটা এন্ট্রি প্রোগ্রামিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েবসাইট ডিজাইন , গেম, থ্রিডি এনিমেশন, ব্যানার ডিজাইন , লোগো ডিজাইন ইত্যাদি কাজ পাবেন।
 অনলাইনে আয়ের ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সিং কথা ভাবছেন তাহলে দেশি সাইটা দেখে যান<span title=। | Techtunes" title="অনলাইনে আয়ের ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সিং কথা ভাবছেন তাহলে দেশি সাইটা দেখে যান। | " height="507" width="570">

সাইটিতে আপনি কি কি সুবিদা পাবেনঃ

  • অর্থ তোলার একটি নির্ভরযোগ্য ও নিরাপদ উপায় হচ্ছে ওয়্যার ট্রান্সফার ।সাইটিতে প্রধান যে সুবিদা হল আপনি সরাসরি আপনার ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে পাবেন। এর জন্য আপনার ব্যয় হবে মাত্র ২০ ডলার । আপনি মাত্র ৭-৮ দিনের মধ্যে আপনার টাকা পেয়ে যাবেন।
  • এ ছাড়া আপনি মানিবুকার বা পেপাল এর মাধ্যমে টাকা পেতে পারেন । এতে আপনার ব্যয় হবে মাত্র ১০-১২ ডলার ।
  • সাইট টা নতুন বলে বর্তমানে তারা বায়ারদের কাজ থেকে কোন টাকা নিচ্ছেনা । আপনি একদম ফ্রীতে আপনার যেকোন কাজ সেখানে পোস্ট করতে পাবেন।
  • সাইটি গোল্ড মেম্বার হয়ার সুবিধা আছে। আর এর জন্য আপনার ব্যয় হবে মাত্র ৫ ডলার। ১ম এ গোল্ড মেম্বার না হলেও চলবে , কোন কাজ পেলে সে তাকা দিয়ে আপনি গোল্ড মেম্বার হতে পাবেন।
  • কাজ শুরু করার পর ক্লায়েন্ট /বায়ারকাজের সম্পূর্ণ টাকা ওই ফ্রিল্যান্সিং সাইটে জমা রাখে। যা কাজ সম্পন্ন হবার পর কোডারের টাকা পাবার সম্ভাবনা নিশ্চিত করে।

দেশি সাইট এ ফ্রিল্যান্সিং কাজ করুন , নিজের ভবিষ্যত্ ক্যারিয়ার গড়ুন ।ফ্রিল্যান্সিং বা সাইট টি সম্পর্কে যেকোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করে জানান।

শুক্রবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০১০

শরীর সুস্থ রেখে কম্পিউটার এর কাজ করুন (শেষ পর্ব )

আগের পর্বে আলোচনা করেছিলাম চোখ সর্ম্পকে , আজ দেহের অন্যান্য অজ্ঞে সর্ম্পকে আলোচনা করবো।

কম্পিউটারে বিশেষ করে যারা ডাটা এন্ট্রির কাজ করে এবং যারা প্রোগ্রামার তাদের দীর্ঘক্ষন ধরে কী-বোর্ড ব্যবহার করতে হয়। এতে তাদের হাত এর উপর প্রচুর চাপ পড়ে । একটু সঠিক ভাবে ব্যবহার করলে দেহের উপর কম চাপ পরবে। এর সাথে ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক রেডিয়েশন , গর্ভবতিদের জন্য কম্পিউটার ব্যবহার এর ক্ষতি সর্ম্পকে আলোচনা করার চেস্টা করবো ।

কী-বোর্ড এ হাতের ব্যবহার

  • মেঝে থেকে কী-বোর্ড ২৮-৩২ ইঞ্চি উপরে রাখুন।
  • কী-বোর্ড সমান জায়গায় বসান। আপনি যদি বেশি আরাম বোধ করেন তাহলে কী-বোর্ড এর স্ট্যান্ড দুটি খুলে দিন।
  • কী-বোর্ড এ জরে চাপ না দিয়ে আলত ভাবে চাপ দেয়ার অভ্যাস করুন।
  • হাত কোন কিছুর সাথে না লাগিইয়ে কী-বোর্ড ব্যবহার করার চেস্টা করুন।
  • মেঝেতে পা না রেখে টেবিলে পাদানিতে পা রাখার চেস্টা করুন ।
  • হাত সোজা করে কী-বোর্ড ব্যবহার করুন ।
  • হাতে বেশি পরিমানে তেল বা তৈলাক্ত জিনিস লাগিয়ে কী-বোর্ড ব্যবহার করবেন না ।
  • আস্তে করে মাউস ধরুন ।

• কী-বোর্ড এর পরিবর্তে মাউস বেশি ব্যবহার করার চেস্টা করুন।

ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক রেডিয়েশন

যারা দীর্ঘক্ষন ধরে কম্পিউটার এ কাজ করে তাদের ডিপ্রেশ্ন , এলার্জি আরও অনেক ধরনের অসুবিধা দেখা যায়। এগুলোর জন্য বিজ্ঞানিরা ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক রেডিয়েশন কে দায়ী করেছেন। এখন বড় বড় কম্পানিরা রেডিয়েশন মুক্ত যন্ত্রপাতি তৈরী করার চেস্টা করছে। এজন্য কম্পিউটার কেনার সময় কম রেডিয়েশন হয় এমন সব যন্ত্রপাতি কেনা উচিত।

গর্ভবতিদের জন্য কম্পিউটার ব্যবহার এর ক্ষতি

গর্ভবতিদের জন্য কম্পিউটার ব্যবহার করা উচিত না । বিজ্ঞানিরা গবেষনা করে দেখেছেন গর্ভবতিদের মধ্যে যারা ২০ ঘন্টার বেশি কম্পিউটার ব্যবহার করেছেন তাদের Micrariases , Pre – mature এবং Still born শিশু হয়েছে। কম্পিউটারের ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রশ্নির জন্য এটা হয়ে থাকে। গর্ভবতি মহিলারা কম্পিউটার ব্যবহার করলে গর্ভ এর সন্তানের উপর চাপ পড়ে।

বৃহস্পতিবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০১০

শরীর সুস্থ রেখে কম্পিউটার এর কাজ করুন (পর্ব ১ )

প্রত্যহ দীর্ঘখন কম্পিউটারে কাজ করলে আমাদের শরীর এর কিছু অঙ্গের উপর অত্যাধিক চাপ এবং কম্পিউটার হতে নিঃসৃত ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রশ্নি আমাদের বিভিন্ন ক্ষতি করতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে কম্পিউটার ব্যবহার করলে চোখ ও শরীর এর বিভিন্ন অসুবিধা দেখা দেই। বিজ্ঞানিরা বিভিন্ন গবেশনা করে অসুবিধা প্রতিরোধ ও নিরাময় পথ বের করেছে। বিজ্ঞানিরা যে শাখায় এ শারারিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করে তার নাম তারা দিয়েছে এরগোনমিকস ( Ergonomics ) । দীর্ঘখন কম্পিউটারে কাজ করলে কিছু কিছু সমস্যা বা যন্ত্রনা বোধ হয় এবং হাত , ঘার , মাথা , কাধ এমন কি পায়েও ব্যাথা হয়। আমরা এবিষয় একটু সচেতন হলে এর প্রতিকার করতে পারি। নিচে এ বিষয় আলোচনা করা হল।

চোখের সমস্যাঃ

মনিটরের অতিরিক্ত আলো ও আলোর অপর্যাপ্ত বা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি হওয়া , স্কীন এবং চোখের মধ্যে দূরতের গরমিল এবং এবং অচ্ছচ স্কীন কম্পিউটার ব্যবহারকারির বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে । যেমনঃ

  • চোখ থেকে পানি পড়া ।
  • চোখের জালা করা।
  • মাথা ব্যাথা করা ।
  • অস্পস্ট দেখা বা কোন জিনিস ডাবল দেখা।

চোখের সমস্যা এর সমাধানঃ

  • সব সমায় মনিটরের আলো চোখের সাথে সহনশীল করে সেট করা।
  • দীর্ঘখন একাধারে মনিটরের দিকে তাকিয়ে থাকবেন না।
  • মাঝে মাঝে বিরতি দিয়ে কাজ করবেন এবং প্রতি ১ বা ২ ঘন্টা পর ১০ – ১৫ মিনিট বিশ্রাম নিবেন।
  • কিছু খন পর পর চোখ পিট পিট করুন এতে চোখ ভেজা থাকবে এবং চোখের মাংসপেশি বেশি কর্মক্ষম থাকবে।
  • মাঝে মাঝে চোখে ঠান্ডা পানির ঝাপ্টা দিন।
  • সাধারন লেখালেখির কাজ তেকে মুভিং ছবি যেমন ঃ গেম, ভিডিও, সিনেমা ইত্যাদি বেশি ইফেক্ট করে । এ ক্ষেত্রে টেলিভিশন মত দুরত বজায় রাখুন।
  • অশ্লীল ছবি দর্শনে স্নায়ুর উত্তেজনার সাথে সাথে চোখের উপর এও প্রচুর চাপ পরে। তাই এসব পরিহার করুন ।
  • সর্বদা ভালো মানের মনিটর ব্যবহার করার চেস্টা করুন ।
  • কম্পিউটারে গেমখেলা বন্ধ করুন , না খেলাই ভালো ।
  • অনর্থক কম্পিউটারে কাজ করা বন্ধ করুন ।
  • চোখের বিভিন্ন সমস্যা হলেই একজন ভালো ডাক্তারের শরনাপন্ন হন।
  • এবং বছরে একবার হলেও চোখের ডাক্তার দেখান

kevin clip image008 শরীর সুস্থ রেখে কম্পিউটার এর কাজ করুন (পর্ব ১ ) | Techtunes

চোখের ব্যায়ামঃ

সব সময় সম্ভব না হলেও মাঝে মাঝে নিচের ব্যায়াম করার চেস্টা করবেন

  • মাথা এবং কাধ সোজা করে ২টি চোখকে একবার ডানের দিকে একবার বামের দিকে ঘুরান। এভাবে কয়েকবার ঘুরিয়ে ১০ সেকেন্ড ধরে পিট পিট করুন।
  • মাথা এবং কাধ সোজা করে চোখের মনি কবার উপরে তূলুন এবং নিচে নামান। এভাবে কয়েকবার ঘুরিয়ে ১০ সেকেন্ড ধরে পিট পিট করুন।
  • মাথা এবং কাধ সোজা করে চোখের মনি ঘরির কাটার দিকে এবং বিপরীতে ঘুরান ।

2268 erika times four শরীর সুস্থ রেখে কম্পিউটার এর কাজ করুন (পর্ব ১ ) | Techtunes

আজ এ পর্যন্ত । আপনাদের যদি ভালো লাগে তবে কমেন্ট করবেন , তাহলে পরের টিউন হাত , ঘাড় , পা ইত্যাদি সম্পর্কে আলোচনা করবো। সবাইকে ধন্যবাদ।

টিউন্ টি প্রথম এ এখানে প্রকাশিত

বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০০৯

কম্পিউটার বিজ্ঞানের তিন জন মহামানব

সবাইকে ইংরেজী নববর্ষ এর শুভেচ্ছা । আজ আমি যে টিউন টা করবো এটা হয়ত কার উপকারে আসবে না ,তবে এ থেকে কিছু তথ্য হয় ত পেতে পারেন । আজ আমি কয় একজন মহামানবের সাথে আপনাদের পরিচয় করে দিবো যাদের জন্য হয় আজ আমি টেকটিউনস এ টিউন করতে পারছি এবং আপনারা টিউন পড়তে পারছেন। ১ম আমি যে ব্যক্তি তার নাম বলবো তিনি হলে

আধুনিক কম্পিউটারের জনক চার্লস ব্যাবেজ

চার্লস ব্যাবেজ (২৬শে ডিসেম্বর, ১৭৯১—১৮ই অক্টোবর, ১৮৭১) একজন ইংরেজ গণিতবিদ। তাঁকে কম্পিউটারের জনক হিসাবে অভিহিত করা হয়। তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিন ও অ্যানালাইটিকাল ইঞ্জিন নামের দুইটি যান্ত্রিক কম্পিউটার তৈরী করেন। তাঁর তৈরি অ্যানালাইটিকাল ইঞ্জিন যান্ত্রিকভাবে গাণিতিক অপারেশন সম্পাদন করতে পারত এবং এর বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য আজকের কম্পিউটারের ডিজাইনে এখনও গুরুত্বপূর্ণ। অর্থায়নের অভাবে ব্যাবেজ তাঁর প্রকল্পটি সম্পূর্ণ করতে পারেননি।

CharlesBabbage কম্পিউটার বিজ্ঞানের তিন জন মহামানব | Techtunes

আধুনিক কম্পিউটারের জনক চার্লস ব্যাবেজ

এবার যে ব্যক্তি তার নাম বলবো তিনি

ইমেইল সিস্টেম জনক রে টমলিনসন

রে টমলিনসন (জন্ম ১৯৪১ ) ১৯৭০ সালের দিকে নেটেনক্স অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে লোকাল ইমেইল সিস্টেম উদ্ভাবন করেন যা SNDMSG এবং READMAIL হিসেবে নামকরন করা হয়। ১৯৭১ এর দিকে তিনি পুনরায় আরপানেট উপযোগী একটি ইমেইল সিস্টেম উদ্ভাবন করেন। তিনই প্রথম ইমেলের প্রাপপকে চিহিৃত করার জন্য @ সিম্বল ব্যবহার করেন যা বর্তমান ইমেইল সিস্টেমে ব্যবহার হয়ে থাকে।

এর পরবর্তি সময় থেকে ক্রমান্বয়ে MAIL, MLFL, RD, NRD, WRD, MSG, MMDF ও Send Mail সহ বিভিন্ন মেইলিং সিস্টেম ও স্টান্ডার্ড উদ্ভাবিত হয়।

1971 tomlinson12 কম্পিউটার বিজ্ঞানের তিন জন মহামানব | Techtunes

ইমেইল সিস্টেম জনক রে টমলিনসন

এবার যে ব্যক্তি তার নাম বলবো তিনি

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (www) জনক স্যার টিম বার্নার্স-লি

স্যার টিম বার্নার্স-লি (জন্ম জুন ৮, ১৯৫৫) ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব কনসোর্টিয়ামের ডিরেক্টর।১৯৮৯ সালে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় সার্ন এই কর্মরত অবস্থায় স্যার টিম বার্নার্স-লি ওয়ার্লড ওয়াইড ওয়েব তৈরি করেন। সেটা থেকে শুরু করে ওয়েবের উন্নতিসাধনে তিনি গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। উদাহরণস্বরূপ, তিনি মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ তৈরিতে ভূমিকা রাখেন যার মাধ্যমে ওয়েবপেজ অলঙ্করণ বা কম্পোজ করা হয়। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি সেমান্টিক ওয়েব তৈরিতেও উত্সাহ প্রদান করেছেন।

Tim Berners Lee কম্পিউটার বিজ্ঞানের তিন জন মহামানব | Techtunes

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (www) জনক স্যার টিম বার্নার্স-লি

তথ্যসুত্র : উইকিপিডিয়া

বুধবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০০৯

পৃথিবীর বৃহওম যাত্রীবাহি জাহাজ MS Oasis of the Seas

টাইটানিক , আর এম এস কুইন মেরি ২ যাত্রীবাহি জাহাজ চেয়েও এখন বৃহওম যাত্রীবাহি জাহাজ MS Oasis of the Seas । এটি টাইটানিকের চেয়ে ৫গুন ও আর এম এস কুইন মেরি ২ দুইগুন বড় । এটির ফিনল্যান্ডের টু্রকুতে অবস্থিত এস টি এক্স ইউরোপ শিপইয়াওর্ডের নিওর্মিত এ জাহাজটির মালিক রয়েল ক্যারাবিয়ারন ইন্টারনেশনাল । এ টি নির্মান কাজ শুরু হয় ১২ নভেম্বর ২০০৭ , আর কাজ শেষ হয় ২৮ অক্টোবর ২০০৯ । এবং এটি পরিক্ষামুলক ভাবে ৩০ অক্টোবর ২০০৯ ১ম সমুদ্রে নামে । ২১ দিন পর ২০নভেম্বর ২০০৯ এটি যুক্তরাস্টে এর ফ্লোরিডার পোট এভারগ্লেডসে পৌছায়। এটি আনুষ্ঠানিক ভাবে যাত্রা শুরু করে ৫ ডিসেম্বর ২০০৯। Oasis of the Seas%2C October 30 2009 পৃথিবীর বৃহওম যাত্রীবাহি জাহাজ MS Oasis of the Seas | Techtunes

সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

  • নাম : MS Oasis of the Seas ।
  • দৈর্ঘ্য: ১১৮৭ ফুট ।
  • প্রস্থ : ২০৮ ফুট ।
  • উচ্চতা : পানির উপর ২৩৬ ফুট আর পানির নিচে ৭৪ ফুট।
  • ওজন : ২,২৫,২৮২ টন ।
  • ব্যয় : ১০০ কোটি ইউরো বা ১২০ কোটি ডলার ।
  • গতি : ২২.৬ নটিক্যাল মাইল।
  • যাত্রি ধারন ক্ষ্মমতা :৬২৯৬ জন
  • ক্রু সংখ্য : ২১৬৫ জন (৬৫টি দেশের ) ।

MS Oasis of the Seas Stern পৃথিবীর বৃহওম যাত্রীবাহি জাহাজ MS Oasis of the Seas | Techtunes

জাহাজ টিতে যা যা আছে

এ জাহাজ টি হল ২০তলা , এতে রয়েছে ১৬টি ডেক , ২৪টি যাত্রীবাহী এলিবেটর , ৭০০টি কেবিন , ৪টি সুইমিং পুল , টেনিস ,ভলিবল্‌ , বাস্কেটবল কোর্ট , আর রয়েছে ছোট আকারে একটি গোলফ কোর্ট।

oasis pool পৃথিবীর বৃহওম যাত্রীবাহি জাহাজ MS Oasis of the Seas | Techtunes

এসারা ছোট বাচ্চাদের জন্য আছে নার্সারি , তরুন দের জন্য আছে থিম পার্ক ।

article 0 06FF07CD000005DC 500 634x423 পৃথিবীর বৃহওম যাত্রীবাহি জাহাজ MS Oasis of the Seas | Techtunes

এবং চারিদিকে গ্যালারি বেস্টিত সুবিশাল মাঠ এবং বরফ বেস্টিত মাঠ ।

1213879888 পৃথিবীর বৃহওম যাত্রীবাহি জাহাজ MS Oasis of the Seas | Techtunes

তথ্যসুত্র : উইকিপিডিয়া

শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০০৯

সাপ কি , সাপ কেন দংশন করে এবং ১০ টি ভয়ংকর সাপ সর্ম্পকে জানুন (যাদের হার্ট দূর্বল তাদের না দেখাই ভালো)

আজ হঠাৎ সাপ সর্ম্পকে জানার ইচ্ছা হল , তাই বিভিন্ন ওয়েব সাইট ঘেটে কিছু তথ্য পেলাম । এগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।

সাপ কি :

সাপ বা সর্প হাতপাবিহীন এক প্রকার সরীসৃপ। বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস অনুযায়ী, Animalia (প্রাণী) জগতের, Chordata (কর্ডটা) পর্বের, Vertebrata (মেরুদণ্ডী) উপপর্বের, Sauropsida (সরোপ্সিডা) শ্রেণীর (শল্ক বা আঁশযুক্ত), Squamata (স্কোয়ামান্টা) বর্গের, Serpentes (সার্পেন্টেস) উপবর্গের সদস্যদের সাপ বলে অভিহিত করা হয়।অ্যান্টার্কটিকা ছাড়া সকল মহাদেশেই সাপের উপস্থিতি দেখা যায়। এখন পর্যন্ত যতোদূর জানা যায়, সাপের সর্বমোট ১৫টি পরিবার, ৪৫৬টি গণ, এবং ২,৯০০টিরও বেশি প্রজাতি রয়েছে। এদের আকার খুব ছোট, ১০ সে.মি. (থ্রেড সাপ) থেকে শুরু করে সর্বচ্চো ২৫ ফুট বা ৭.৬ মিটার (অজগর ও অ্যানাকোন্ডা) পর্যন্ত হতে পারে। সম্প্রতি আবিষ্কৃত টাইটানওবোয়া (Titanoboa) সাপের জীবাশ্ম প্রায় ১৩ মিটার বা ৪৩ ফুট লম্বা। বিষধরদের জন্য বিখ্যাত হলেও বেশীরভাগ প্রজাতির সাপ বিষহীন এবং যেগুলো বিষধর সেগুলোও আত্মরক্ষার চেয়ে শিকার করার সময় বিভিন্ন প্রাণীকে ঘায়েল করতেই বিষের ব্যবহার বেশি হয়। কিছু মারাত্মক বিষধর সাপের বিষ মানুষের মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুকি বা মৃত্যুর কারণ ঘটায়।

ujjalmcblog 1214821129 1 austin stevens সাপ কি , সাপ কেন দংশন করে এবং ১০ টি ভয়ংকর সাপ সর্ম্পকে জানুন (যাদের হার্ট দূর্বল তাদের না দেখাই ভালো) | Techtunes

সর্পদংশন :


637372216 a16d1f540f o সাপ কি , সাপ কেন দংশন করে এবং ১০ টি ভয়ংকর সাপ সর্ম্পকে জানুন (যাদের হার্ট দূর্বল তাদের না দেখাই ভালো) | Techtunes

সাপ প্রকৃতপক্ষে মানুষ শিকার করে না এবং সাপকে কোনো কারণে উত্তেজিত করা না হলে বা সাপ আঘাতগ্রস্থ না হলে তারা মানুষের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলে। ব্যাতিক্রম ছাড়া কনস্ট্রিক্টর ও বিষহীন সাপগুলো মানুষের জন্য কোনো হুমকি নয়। বিষহীন সাপের কামড় মানুষের জন্য ক্ষতিকর নয়, কারণ তাদের দাঁত মূলত কোনো কিছ আঁকড়ে ধরা ও ধরে রাখার মতো। বর্ষার পানি মাটির গর্তে ঢুকলে বেঁচে থাকার জন্য সাপ বের হয়ে আসে এবং মানুষকে দংশন করতে পারে। বিষধর সাপ দংশনের লক্ষণগুলো হচ্ছে­ বমি, মাথাঘোরা, কামড়ানোর স্খানে ফোলা, রক্তচাপ কমে যাওয়া, চোখে ডাবল দেখা, ঘাড়ের মাংসপেশী অবশ হয়ে ঘাড় পেছনের দিকে হেলে পড়া। এমন হলে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে। হাসপাতালে নেয়ার আগে আক্রান্ত জায়গা নাড়াচাড়া করা যাবে না। হাত বা পায়ে কামড় দিলে হাতের পেছনের দিকে কাঠ বা বাঁশের চটা বা শক্ত জাতীয় কিছু জিনিস রেখে শাড়ির পাড় বা পরিষ্কার কাপড় দিয়ে স্প্লিন্ট তৈরি করে বেঁধে দিতে হবে। আক্রান্ত জায়গা কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে দিতে হবে। লক্ষ রাখবেন বেশি টাইট করে বাঁধা যাবে না। বাঁধলে রক্ত সরবরাহ ব্যাহত হয়ে গ্যাংগ্রিন হতে পারে। বিষ শিরা দিয়ে নয়, লসিকাগ্রন্থি দিয়ে শরীরে ছড়ায়। সাপে কাটা রোগীকে ওঝা-বৈদ্য বা কবিরাজ না দেখিয়ে বিজ্ঞানসম্মত আধুনিক চিকিৎসার জন্য নিকটস্খ হাসপাতালে নিয়ে যান। আক্রান্ত জায়গায় কাঁচা ডিম, চুন, গোবর কিছুই লাগাবেন না। এতে সেল্যুলাইটিস বা ইনফেকশন হয়ে রোগীর জীবনহানি ঘটতে পারে।

Snake bite symptoms সাপ কি , সাপ কেন দংশন করে এবং ১০ টি ভয়ংকর সাপ সর্ম্পকে জানুন (যাদের হার্ট দূর্বল তাদের না দেখাই ভালো) | Techtunes

পৃথিবীর ১০ টি ভয়ংকর সাপ :

723595471 29a26a9a5e o সাপ কি , সাপ কেন দংশন করে এবং ১০ টি ভয়ংকর সাপ সর্ম্পকে জানুন (যাদের হার্ট দূর্বল তাদের না দেখাই ভালো) | Techtunes

১নং : তাইপান সাপ (Taipan sanek ) :

এ টি পৃথিবীর ১ নাম্বার ভয়ংকর সাপ।তাইপান সাপ সাধারনত ওলিভ ও ব্রাউন রঙ এর হয়ে থাকে। এটি সাধারনত ১.৮ থেকে ৩.৫ মিটার লম্বা হয়ে থাকে। এটি সবচেয়ে বেশি অস্টলিয়ায় পাওয়া যায়।

723579425 7b72021179 সাপ কি , সাপ কেন দংশন করে এবং ১০ টি ভয়ংকর সাপ সর্ম্পকে জানুন (যাদের হার্ট দূর্বল তাদের না দেখাই ভালো) | Techtunes

চিএ :Taipan sanek

২নং : কমেন ক্রাইট (comman krait) :

এ টি পৃথিবীর ২ নাম্বার ভয়ংকর সাপ।এটি সাধারনত কালো রঙ এর হয়ে থাকে। এটি সাধারনত ৯০ সে.মি থেকে ১.৫ মিটার লম্বা হয়ে থাকে। এটি ভারত , সিলংকা ও পাকিস্থানে পাওয়া যায়।

723579433 e518c14690 o সাপ কি , সাপ কেন দংশন করে এবং ১০ টি ভয়ংকর সাপ সর্ম্পকে জানুন (যাদের হার্ট দূর্বল তাদের না দেখাই ভালো) | Techtunes

চিএ :comman krait

৩নং : ফিলিপাইনি কোবড়া ( philippne cobra) :

এ টি পৃথিবীর ৩ নাম্বার ভয়ংকর সাপ।এটা সাধারনত ব্রাউন রঙ এর হয়ে থাকে। এটি সাধারনত ১০০ সে মি মিটার লম্বা হয়ে থাকে । এটি সবচেয়ে বেশি ফিলিপাইনে পাওয়া যায়।

723579445 e8adf578a9 সাপ কি , সাপ কেন দংশন করে এবং ১০ টি ভয়ংকর সাপ সর্ম্পকে জানুন (যাদের হার্ট দূর্বল তাদের না দেখাই ভালো) | Techtunes

চিএ :philippne cobra

৪নং : কিং কোবড়া ( king cobra ) :

এ টি পৃথিবীর ৪ নাম্বার ভয়ংকর সাপ।কিং কোবড়া সাধারনত ব্লাক , গ্রিন , ব্রাউন রঙ এর হয়ে থাকে। এটি সাধারনত ৩.৫ মিটার থেকে ৫.৫ মিটার লম্বা হয়ে থাকে। এটি ভারত, চিন , ফিলিপাইনে , মালোইসিয়া পাওয়া যায়।

723579451 ad5ad5abdf সাপ কি , সাপ কেন দংশন করে এবং ১০ টি ভয়ংকর সাপ সর্ম্পকে জানুন (যাদের হার্ট দূর্বল তাদের না দেখাই ভালো) | Techtunes

চিএ :king cobra

৫নং : রুসেলস ভিপার (Russell Viper) :

এ টি পৃথিবীর ৫ নাম্বার ভয়ংকর সাপ।এটি সাধারনত ব্লাক , ব্রাউন রঙ এর হয়ে থাকে। এটি সাধারনত ১ মিটার থেকে ১.৫ মিটার লম্বা হয়ে থাকে। এটি সুইডেন্‌ , সিলংকা, ভারত, চিন , ফিলিপাইনে , মালোইসিয়া পাওয়া যায়।

723579467 1643376f63 সাপ কি , সাপ কেন দংশন করে এবং ১০ টি ভয়ংকর সাপ সর্ম্পকে জানুন (যাদের হার্ট দূর্বল তাদের না দেখাই ভালো) | Techtunes

চিএ :Russell Viper

৬নং : ব্লাক মাম্বা (Black Mamba) :

এ টি পৃথিবীর ৬ নাম্বার ভয়ংকর সাপ।এটি সাধারনত কালো রঙ এর হয়ে থাকে। এটি সাধারনত ৪.৫ মি মিটার লম্বা হয়ে থাকে । এটি সবচেয়ে বেশি আফ্রিকায় পাওয়া যায়।

723579677 2e78c2cc44 o সাপ কি , সাপ কেন দংশন করে এবং ১০ টি ভয়ংকর সাপ সর্ম্পকে জানুন (যাদের হার্ট দূর্বল তাদের না দেখাই ভালো) | Techtunes

চিএ : Black Mamba

৭নং : বথ্রপ্স এসপার (Bothrops Asper ) :

এ টি পৃথিবীর ৭ নাম্বার ভয়ংকর সাপ।এটি সাধারনত কালো , ব্রাউন রঙ এর হয়ে থাকে। এটি সাধারনত ১.৪ থেকে ২.৪ মিটার লম্বা হয়ে থাকে । এটি সবচেয়ে বেশি সুইডেন , মেক্সিকো, দক্ষিন আফ্রিকায় পাওয়া যায়। এটি দেহের যে জায়গায় দংশন করে সে জায়গা পচে যায়।

723595417 306d9900e6 o সাপ কি , সাপ কেন দংশন করে এবং ১০ টি ভয়ংকর সাপ সর্ম্পকে জানুন (যাদের হার্ট দূর্বল তাদের না দেখাই ভালো) | Techtunes

tissue destruction snakebite সাপ কি , সাপ কেন দংশন করে এবং ১০ টি ভয়ংকর সাপ সর্ম্পকে জানুন (যাদের হার্ট দূর্বল তাদের না দেখাই ভালো) | Techtunes

বথ্রপ্স এসপার (Bothrops Asper ) এর দংশনে এ ছেলে পচে যায়া পা

চিএ : Bothrops Asper

৮নং : মাল্টিবেন্ডেড ক্রাইট (Multibanded Krait) :

এ টি পৃথিবীর ৮ নাম্বার ভয়ংকর সাপ।এটি সাধারনত কালো রঙ এর হয়ে থাকে। এটি সাধারনত ১.৮ মিটার লম্বা হয়ে থাকে । এটি সবচেয়ে বেশি সুইডেন , চিন ।ফিজি পাওয়া যায়।

723595433 f44bfbb186 o সাপ কি , সাপ কেন দংশন করে এবং ১০ টি ভয়ংকর সাপ সর্ম্পকে জানুন (যাদের হার্ট দূর্বল তাদের না দেখাই ভালো) | Techtunes

চিএ : Multibanded Krait

৯ নং টাইগার সাপ (Tiger Snake)

এ টি পৃথিবীর ৯ নাম্বার ভয়ংকর সাপ। এটি সাধারনত হলুদ বা অলিভ রঙ এর হয়ে থাকে। এটি সাধারনত ১.২ থেকে ১.৮ মিটার লম্বা হয়ে থাকে । এটি সবচেয়ে বেশি অস্টলিয়া , গ্রিস , পাওয়া যায়।

723595445 d47a02debb সাপ কি , সাপ কেন দংশন করে এবং ১০ টি ভয়ংকর সাপ সর্ম্পকে জানুন (যাদের হার্ট দূর্বল তাদের না দেখাই ভালো) | Techtunes

চিএ : Tiger Snake

১০ নং জারারাকুসু (Bothrops Jarararcussu )

এ টি পৃথিবীর ১০ নাম্বার ভয়ংকর সাপ। এটি সাধারনত লাইট বা কালো সবুজ মিশ্রত রঙ এর হয়ে থাকে। এটি সাধারনত ৩ মিটার লম্বা হয়ে থাকে । এটি সবচেয়ে বেশি আর্জেন্টিনা , ব্রাজিল , পেরাগুয়ে তে বেশি পাওয়া যায়।

723595457 ac484d53ff o সাপ কি , সাপ কেন দংশন করে এবং ১০ টি ভয়ংকর সাপ সর্ম্পকে জানুন (যাদের হার্ট দূর্বল তাদের না দেখাই ভালো) | Techtunes

চিএ :Bothrops Jarararcussu

তথ্যসুএ : উকিপিডিয়া , ও বিভিন্ন ওয়েব সাইট

সবাইকে যদি টিউন টা ভালো লাগে মন্তব্য করে জানাবেন।

বৃহস্পতিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০০৯

ভালোবাসার একটি আশ্চর্য্য নিদর্শন

ভালোবাসা একটি মানবিক অনুভূতি এবং আবেগকেন্দ্রিক একটি অভিজ্ঞতা। বিশেষ কোন মানুষের জন্য স্নেহের শক্তিশালী বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে ভালোবাসা। তবুও ভালোবাসাকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে ভাগ করা যায়। আবেগধর্মী ভালোবাসা সাধারণত গভীর হয়,বিশেষ কারো সাথে নিজের সকল মানবীয় অনুভূতি ভাগ করে নেয়া, এমনকি শরীরের ব্যাপারটাও এই ধরনের ভালোবাসা থেকে পৃথক করা যায়না। আর এই ভালোবাসা জন্যই মুঘল সম্রাট শাহজাহান তাঁর স্ত্রী আরজুমান্দ বানু জন্য তৈরী করেন আশ্চর্য্য নিদর্শন ।

তাজ মহল ভারতের আগ্রায় অবস্থিত একটি রাজকীয় সমাধি। মুঘল সম্রাট শাহজাহান তাঁর স্ত্রী আরজুমান্দ বানু বেগম যিনি মুমতাজ মহল নামে পরিচিত তার স্মৃতির উদ্দেশ্যে এই অপূর্ব সৌধটি নির্মাণ করেন।। সৌধটি নির্মাণ শুরু হয়েছিল ১৬৩২ খ্রিস্টাব্দে যা সম্পূর্ণ হয়েছিল প্রায় ১৬৪৮ খ্রিস্টাব্দে। সৌধটির নকশা কে করেছিলেন এ প্রশ্নে অনেক বিতর্ক থাকলেও, এ পরিষ্কার যে শিল্প-নৈপুন্য সম্পন্ন একদল নকশাকারক ও কারিগর সৌধটি নির্মাণ করেছিলেন যারা উস্তাদ আহমেদ লাহুরীর সাথে ছিলেন, যিনি তাজ মহলের মূল নকশাকারক হওয়ার প্রার্থীতায় এগিয়ে আছেন। তাজ মহলকে (কখনও শুধু তাজ নামে ডাকা হয়) মুঘল স্থাপত্যশৈলীর একটি আকর্ষণীয় নিদর্শন হিসেবে মনে করা হয়, যার নির্মাণশৈলীতে পারস্য, তুর্কী, ভারতীয় এবং ইসলামী স্থাপত্যেশিল্পের সম্মিলন ঘটানো হয়েছে। যদিও সাদা মার্বেলের গোম্বুজাকৃতি রাজকীয় সমাধীটিই বেশি সমাদৃত, তাজমহল আসলে সামগ্রিকভাবে একটি জটিল অখন্ড স্থাপত্য। এটি ১৯৮৩ সালে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল। তখন একে বলা হয়েছিল ।

Taj1 ভালোবাসার একটি আশ্চর্য্য নিদর্শন। | Techtunes

তাজ মহল

মুঘল সম্রাট শাহজাহান এর স্ত্রী আরজুমান্দ বানু বেগম এর পরিচিতি :

মুমতাজ মহল সাধারন ডাকনাম আরজুমান্দ বানু বেগম , যিনি ভারতের আগ্রায় ১৫৯৩ খ্রিস্টাব্দের এপ্রিল মাসে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতা ছিলেন পারস্যের মহানুভব আবদুল হাসান আসাফ খান, যিনি সম্রাট জাহাঙ্গীরের স্ত্রী নূর জাহানের ভাই। মুমতাজ ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন। তার বিয়ে হয়েছিল মাত্র ১৯ বছর বয়সে মে ১০, ১৬১২ খ্রিস্টাব্দে যুবরাজ খুর্‌রম এর সাথে, যিনি পরবর্তীতে মুঘল সম্রাট শাহ জাহান (প্রথম) নামে তাখ্‌ত ই তাউস বা ময়ূর সিংহাসনে বসেন। মুমতাজ শাহ জাহানের দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন এবং তিনি শাহ জাহানের পছন্দের ছিলেন। মুমতাজ মৃত্যুবরণ করেন ডেক্কান বর্তমানে মধ্যপ্রদেশের অন্তর্গত বুরহানপুরে জুন ১৭, ১৬৩১ খ্রিস্টাব্দে তার চতুর্দশ সন্তান জন্মদানের সময়, এক কন্যা সন্তান জন্ম দিয়েছিলেন নাম রাখা হয়েছিল গৌহর বেগম। মৃত্যুর পর মুমতাজকে সমাহিত করা হয়েছিল আগ্রার তাজ মহলে।

Mughal painting2 ভালোবাসার একটি আশ্চর্য্য নিদর্শন। | Techtunes

আরজুমান্দ বানু বেগম ,আঁকা ছবি

মুঘল সম্রাট শাহজাহান এর পরিচিতি :

  • জন্মের সময় রাখা নাম : গিয়াস-উদ্দিন মুহাম্মদ
  • পারিবারিক নাম : তীমুরীয়
  • উপাধী : মুঘল সম্রাজ্যের সম্রাট
  • জন্ম : জানুয়ারি ৫, ১৫৯২
  • জন্মস্থান : লাহোর
  • মৃত্যু : জানুয়ারি ২২, ১৬৬৬
  • মৃত্যুস্থান : আগ্রা
  • সমাধী : তাজ মহল
  • উত্তরাধিকারী : আওরঙ্গজেব

Shahjahan on globe ভালোবাসার একটি আশ্চর্য্য নিদর্শন। | Techtunes

“ভূ-গোলকের উপর শাহ জাহান” স্মিথসোনিয়ান ইনস্টিটিউট থেকে নেওয়া ।

তাজ মহল তৈরীর সূচনা :

১৬৩১ খ্রিস্টাব্দে শাহ জাহান, যিনি মুঘল আমলের সমৃদ্ধশালী সম্রাট ছিলেন। তার দ্বিতীয় স্ত্রী মুমতাজ মহল এর মৃত্যুতে প্রচন্ড ভাবে শোকাহত হয়ে পড়েন। মুমতাজ মহল তখন তাদের চতুর্দশ কন্যা সন্তান গৌহর বেগমের জন্ম দিতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেছিলেন । তাজ মহলের নির্মাণ কাজ মুমতাজের মৃত্যুর খুব শীঘ্রই শুরু হয়। মূল সমাধিটি সম্পূর্ণ হয় ১৬৪৮ খ্রিস্টাব্দে এবং এর চারদিকের ইমারত এবং বাগান আরও পাঁচ বছর পরে তৈরি হয় ।

নির্মাণ :

তাজ মহল দেয়াল ঘেরা আগ্রা শহরের দক্ষিণ অংশের একটি জমিতে তৈরি করা হয়েছিল যার মালিক ছিলেন মহারাজা জয় শিং। শাহজাহান তাকে আগ্রার মধ্যখানে একটি বিশাল প্রাসাদ দেওয়ার বদলে জমিটি নেন। তাজ মহলের কাজ শুরু হয় সমাধির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে। প্রায় ৩ একর জায়গাকে খনন করে তাতে আলগা মাটি ফেলায় হয় নদীর ক্ষরণ কমানোর জন্য। সম্পূর্ণ এলাকাকে নদীর পাড় থেকে প্রায় ৫০ মিটার উঁচু করা সমান করা হয়। তাজ মহল ৫৫ মিটার লম্বা। সমাধিটি নিজে ব্যাসে ১৮ মিটার এবং উচ্চতায় ২৪ মিটার।

ভিত্তি আর সমাধি নির্মাণ করতে সময় লেগেছিল প্রায় ১২ বছর। পুরো এলাকার বাকি অংশগুলো নির্মাণ করতে লেগেছিল আরও ১০ বছর। (যেহেতু চত্তর এলাকাটি কয়েকটি ভাগে নির্মিত হয়েছিল তাই তৎকালী ইতিহাস লেখকগণ নির্মাণ শেষের বিভিন্ন তারিখ উল্লেখ করেন। যেমন সমাধিটির কাজ শেষ হয়েছিল ১৬৪৩ খ্রিস্টাব্দে, কিন্তু বাকি অংশগুলোর কাজ তখনও চলছিল।

TajPlanMughalGardens ভালোবাসার একটি আশ্চর্য্য নিদর্শন। | Techtunes

তাজ মহলের মেঝের বিন্যাস

Taj From Agra Fort ভালোবাসার একটি আশ্চর্য্য নিদর্শন। | Techtunes

আগ্রার কেল্লা থেকে তাজ মহল দেখা যাচ্ছে

কারিগর , মালামাল সামগ্রী, উপাদান ও খরচ :

তাজ মহল কোন একজন ব্যক্তির দ্বারা নকশা করা নয়। এ ধরণের প্রকল্পে অনেক প্রতিভাধর লোকের প্রয়োজন।বিভিন্ন উৎস থেকে তাজ মহল নির্মাণ কাজে যারা অংশ নিয়েছিলেন তাদের বিভিন্ন নাম পাওয়া যায়।

  • পারস্যদেশীয় স্থপতি, ওস্তাদ ঈসা; চত্তরের নকশা করার বিশেষ ভূমিকায় অনেক স্থানেই তার নাম পাওয়া যায় ।
  • পারস্য দেশের (ইরান) বেনারসের ‘পুরু’; ফারসি ভাষার এক লেখায় তাকে তত্ত্ববধায়ক স্থপতি হিসেবে উল্লেখ করেছে।
  • বড় গম্বুজটির নকশা করেছিলেন ওত্তোমান সম্রাজ্য থেকে আসা ইসমাইল খাঁন , যাকে গোলার্ধের প্রথম নকশাকারী এবং সে যুগের একজন প্রধান গম্বুজ নির্মাতা মনে করা হয়।
  • কাজিম খাঁন, লাহোরের বাসিন্দা, বড় গম্বুজের চূড়ায় যে স্বর্ণের দন্ডটি ছিল, তিনি তা গড়েছিলেন।
  • চিরঞ্জিলাল, একজন পাথর খোদাইকারক যিনি দিল্লী থেকে এসেছিলেন; প্রধান ভাস্কর ও মোজাইকারক হিসেবে নেওয়া হয়েছিল ।
  • পারস্যের (সিরাজ, ইরান) আমানত খাঁন, যিনি প্রধান চারুলিপিকর (তার নাম তাজ মহলের প্রবেশপথের দরজায় প্রত্যায়িত করা আছে, সেখানে তার নাম পাথরে খোদাই করে লেখা আছে)
  • মোহাম্মদ হানিফ রাজমিস্ত্রিদের তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন ।
  • সিরাজ, ইরান থেকে মীর আব্দুল করিম এবং মুক্কারিমাত খাঁন, যারা ব্যবস্থাপনা ও আর্থিক দিকগুলো সামাল দিতেন ।

মালামাল সামগ্রী ও উপাদানঃ

তাজ মহল তৈরি হয়েছে সাড়া এশিয়া এবং ভারত থেকে আনা বিভিন্ন উপাদান সামগ্রী দিয়ে। নির্মাণ কাজ্রে সময় ১,০০০ এর ও বেশি হাতি ব্যবহার করা হয়েছিল নির্মাণ সামগ্রী বহন করে আনার জন্য। আলো-প্রবাহী অস্বচ্ছ সাধা মার্বেল পাথর আনা হয়েছিল রাজস্থান থেকে, ইয়াশ্‌ব্‌- লাল, হলুদ বা বাদামী রঙের মধ্যম মানের পাথর আনা হয়েছেল পাঞ্জাব থেকে। চীন থেকে আনা হয়েছিল ইয়াশ্‌ম্‌- কঠিন, সাধা, সবুজ পাথর, স্ফটিক টুকরা। তিব্বত থেকে বৈদূর্য সবুজ-নীলাভ (ফিরোজা) রঙের রত্ন এবং আফগানিস্তান থেকে নীলকান্তমণি আনা হয়েছিল। নীলমণি- উজ্জ্বল নীল রত্ন এসেছিল শ্রীলঙ্কা এবং রক্তিমাভাব, খয়রি বা সাধা রঙের মূল্যবান পাথর এসেছিল আরব থেকে। এ ধরণের আটাশ ধরনের মূল্যবাদ এবং মহামূল্যবান পাথর সাদা মার্বেল পাথরেরে উপর বসানো রয়েছে।

খরচঃ

তৎকালীন নির্মাণ খরচ অনুমান করা কঠিন ও কিছু সমস্যার কারণে তাজ মহল নির্মাণে কত খরচ হয়েছিল তার হিসাবে কিছুটা হেরফের দেখা যায়। তাজ মহল নির্মাণে তৎকালীন আনুমানিক ৩২মিলিয়ন রুপি খরচ হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। কিন্তু শ্রমিকের খরচ, নির্মাণে যে সময় লেগেছে এবং ভিন্ন অর্থনৈতিক যুগের কারণে এর মূল্য অনেক, একে অমূল্য বলা হয়।

অলঙ্করণ পাথরের খোদাই :


TajJaliArch ভালোবাসার একটি আশ্চর্য্য নিদর্শন। | Techtunes

জালির চাপ, স্মৃতিস্তম্ভের প্রবেশপথে

TajJaliPiercwork ভালোবাসার একটি আশ্চর্য্য নিদর্শন। | Techtunes

সূক্ষ ছেদ করা কারুকাজ

TajJaliInlay ভালোবাসার একটি আশ্চর্য্য নিদর্শন। | Techtunes

কারুকাজ

পর্যটনকেন্দ্র :

তাজ মহলের নির্মাণের পর থেকেই তাজ মহল বহু পর্যটককে আকর্ষিত করেছে। এমনকি তাজ মহলের দক্ষিণ পাশে ছোট শহর তাজ গঞ্জি বা মুমতাজাবাদ আসলে গড়ে তোলা হয়েছিল পর্যটকদের জন্য সরাইখানা ও বাজার তৈরির উদ্দেশ্যে যাতে পর্যটক এবং কারিগরদের চাহিদা পূরণ হয় । বর্তমানে, তাজ মহলে ২ থেকে ৩ মিলিয়ন পর্যটক আসে যার মধ্যে ২,০০,০০০ পর্যটক বিদেশী, যা ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র। সবচেয়ে বেশি পর্যটক আসে ঠান্ডা মৌসুমে অক্টোবর, নভেম্বর ও ফেব্রুয়ারি মাসে। বায়ূ দূষণকারী যানবাহন তাজ মহলের কাছে আসা নিষিদ্ধ তাই পর্যটকদের গাড়ী রাখার স্থান থেকে পায়ে হেঁটে অথবা বৈদুতিক বাসে করে তাজ মহলে আসতে হয় । খাওয়াসপুরা গুলো পর্যটকদের জন্য পুনরায় চালু করা হয়েছে।

TajGardenWide ভালোবাসার একটি আশ্চর্য্য নিদর্শন। | Techtunes

রৈখিক চৌবাচ্চার পাশ দিয়ে হাটার রাস্তা

তথ্যসূএ : উইকিপিডিয়া

জানি না টিউন টি আপনাদের কেমন লাগলো , যদি ভালো লাগে বা টিউনটি সম্পর্কে কোন অভিযোগ থাকলে অবশ্যই মন্তব্য এর করে জানাবেন।

মঙ্গলবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০০৯

হ্যারি পটার কি অদ্ভুদ এক কাল্পনিক চরিত্র

হ্যারি পটার হলো জে কে রাউলিং এর তৈরী একটি কাল্পনিক চরিত্র। এখানে হ্যারি একজন জাদুকর। হ্যারি জেমস পটার লেখিকা হলো জে. কে. রাউলিং এর হ্যারি পটার সিরিজের প্রধান চরিত্র। এখানে হ্যারি একজন যাদুকর। কাহিনীর পটভূমি হচ্ছে হগওয়ার্টস স্কুল অব উইচক্র্যাফট এন্ড উইজার্ডরি যেখানে হ্যারি তার কাছের বন্ধু রন ওয়েজলি ও হারমায়োনি গ্রেঞ্জারের সাথে বিভিন্ন অ্যাডভেঞ্চারে অংশ নেয়। তার চেহারা সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে তার কপালে বিদ্যুত চমকের মত কাটা দাগ, যা স্কার নামে পরিচিত। লর্ড ভোলডেমর্ট যখন হ্যারিকে মারতে আভাডা কেডাভ্রা নামক অভিশাপ দিয়েছিল তখন হ্যারির কপালে এই দাগ সৃষ্টি হয়েছে। ভোলডেমর্ট হ্যারির বাবা-মাকে হত্যা করেছে। যাউ বিশ্বে হ্যারিই একমাত্র ব্যক্তি যে আভাডা কেডাভ্রা নামক মৃত্যু অভিশাপ থেকে বেঁচে গেছে। এর ফলে লর্ড ভোলডেমর্টের পতন হয়েছে। উপন্যাসে হ্যারি জেমস ও লিলি পটারের একমাত্র সন্তান। তার পিতার মত হ্যারির কালো চুল অপরিপাটী ভাবে সাজানো। তার স্বভাব, চরিত্র, ব্যক্তিত্ব সে পেয়েছে তার মায়ের কাছ থেকে। মায়ের সবুজ চোখও সে পেয়েছে। প্রথম উপন্যাসে হ্যারিকে ছোট আকারের ও পাতলা শরীরের বলা হলেও পঞ্চম বইয়ে তাকে লম্বা বলা হয়েছে। সে গোল ফ্রেমের চশমা পরে।

Harry potter stamps হ্যারি পটার কি অদ্ভুদ এক কাল্পনিক চরিত্র | Techtunes

হ্যারি পটারের সফলতার নিদর্শন, হ্যারি পটার সিরিজের সাতটি বইয়ের প্রচ্ছদ নিয়ে রয়াল মেইল ডাকটিকেট প্রকাশ করেছে।


হ্যারি পটার এর পরিচিতি :

  • লেখক : যুক্তরাজ্য এর পতাকা জে. কে. রাউলিং (জোয়ানে রাউলিং)
  • দেশ : যুক্তরাজ্য
  • ভাষা : ইংরেজি
  • ধরন : কল্পকাহিনী
  • প্রকাশক : ব্লুমসবারি পাবলিশিং
  • প্রকাশের তারিখ : জুন ২৬ ১৯৯৭
  • মিডিয়া ধরন : মুদ্রণ (হার্ডব্যাক ও পেপারব্যাক)

হ্যারি পটার এর লেখক পরিচিতি :

জোয়ানে “জো” রাউলিং ওবিই (জন্ম জুলাই ৩১ ১৯৬৫) একজন ইংরেজ কল্পকাহিনী লেখিকা যিনি জে. কে. রাউলিং ছদ্ম নামে লেখালেখি করেন।[ রাউলিং জনপ্রিয় কল্পকাহিনী হ্যারি পটার সিরিজের রচয়িতা, যা তাকে বিশ্বজুড়ে সম্মান ও জনপ্রিয়তা এনে দিয়েছে। এ সাহিত্য কর্মের জন্য তিনি একাধিক পুরস্কার জিতেছেন। সারা বিশ্বে হ্যারি পটার সিরিজের প্রায় ৩২৫ মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়েছে। ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ফর্বেস পত্রিকা তার সম্পত্তির পরিমান £৫৭৬ মিলিয়ন (১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের কিছু বেশি) বলে তথ্য প্রকাশ করেছে, যা তাকে বই-লিখে বড়লোক হওয়া প্রথম বিলিয়নিয়ার (আমেরিকান ডলারে) হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে। ২০০৬ সালে ফর্বেস পত্রিকা তাকে অপরাহ উইনফ্রের পর পৃথিবীর দ্বিতীয় সেরা মহিলা ধনী হিসেবে তথ্য প্রকাশ করেছে।

 হ্যারি পটার কি অদ্ভুদ এক কাল্পনিক চরিত্র | Techtunes

জে. কে. রাউলিং

হ্যারি পটার চরিএ এর পরিচিতি :

  • লিঙ্গ : পুরুষ
  • চুলের রঙ : কালো
  • চোখের রঙ : এমারেল্ড সবুজ
  • হাউজ : গ্রিফিনডোর
  • পূর্বপুরুষ : হাফ-ব্লাড
  • পেট্রোনাস : স্ট্যাগ
  • আনুগত্য : ডাম্বলডোর আর্মি; হগওয়ার্টস
  • অভিনেতা : ড্যানিয়েল রেডক্লিফ
  • প্রথম উপস্থিতি : হ্যারি পটার এন্ড দ্য ফিলোসফার্স স্টোন

DANIEL RADCLIFFE 07 হ্যারি পটার কি অদ্ভুদ এক কাল্পনিক চরিত্র | Techtunes

ড্যানিয়েল রেডক্লিফ

সিরিজ :

  • হ্যারি পটার এন্ড দ্য ফিলোসফার্স স্টোন (জুন ২৬, ১৯৯৭) (যুক্তরাষ্ট্রে হ্যারি পটার এন্ড দ্য সর্সারার্স স্টোন নামে প্রকাশিত)
  • হ্যারি পটার এন্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (জুলাই ২, ১৯৯৮)
  • হ্যারি পটার এন্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (জুলাই ৮, ১৯৯৯)
  • হ্যারি পটার এন্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (জুলাই ৮, ২০০০)
  • হ্যারি পটার এন্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফিনিক্স (জুন ২১, ২০০৩)
  • হ্যারি পটার এন্ড দ্য হাফ ব্লাড প্রিন্স (জুলাই ১৬, ২০০৫)
  • হ্যারি পটার এন্ড দ্য ডেথলি হ্যালোজ (জুলাই ২১, ২০০৭)

সাতটি বইই অডিও মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। যুক্তরাজ্যের অডিও বইতে কন্ঠ দিয়েছেন স্টিফেন ফ্রাই এবং আমেরিকার বইতে কন্ঠ দিয়েছেন জিম ডে

Harry Potter lines হ্যারি পটার কি অদ্ভুদ এক কাল্পনিক চরিত্র | Techtunes

ডেলাওয়ারের একটি বইয়ের দোকানে মধ্যরাতে প্রকাশিত বইয়ের জন্য অপেক্ষমাণ পাঠকেরা

অন্যান্য মাধ্যম :


চলচ্চিত্র :

  • হ্যারি পটার এন্ড দ্য ফিলোসফার্স স্টোন (নভেম্বর ১৬, ২০০১)
  • হ্যারি পটার এন্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস (নভেম্বর ১৫, ২০০২)
  • হ্যারি পটার এন্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান (জুন ৪, ২০০৪)
  • হ্যারি পটার এন্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার (নভেম্বর ১৮, ২০০৫)
  • হ্যারি পটার এন্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফিনিক্স (জুলাই ১১, ২০০৭)
  • হ্যারি পটার এন্ড দ্য হাফ ব্লাড প্রিন্স (জুলাই ১৭, ২০০৯)
  • হ্যারি পটার এন্ড দ্য ডেথলি হ্যালোজ-পর্ব, (নভেম্বর ১৯, ২০১০)

Hogwarts হ্যারি পটার কি অদ্ভুদ এক কাল্পনিক চরিত্র | Techtunes

চলচ্চিত্রে দেখানো হগওয়ার্টস স্কুল

গেমস :

  • হ্যারি পটার এন্ড দ্য ফিলোসফার্স স্টোন
  • হ্যারি পটার এন্ড দ্য চেম্বার অব সিক্রেটস
  • হ্যারি পটার এন্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান
  • হ্যারি পটার এন্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার
  • হ্যারি পটার এন্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফিনিক্স: অর্ডার অব দ্য ফিনিক্স চলচ্চিত্র প্রকাশের এক সপ্তাহ আগে প্রকাশিত হবার কথা
  • হ্যারি পটার: কুইডিচ ওয়ার্ল্ড কাপ, এই গেমসে অবশ্য বইটির কোন কাহিনী নেই, শুধু কুইডিচ খেলার উপর জোর দেয়া হয়েছে।

পুরষ্কার ও সম্মাননা :

জে.কে. রাউলিং এবং হ্যারি পটার সিরিজ ফিলোসফার্স স্টোন প্রকাশের পর থেকে অনেক পুরষ্কার পেয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে চারটি হুইটেকার প্লাটিনাম বুক এওয়ার্ডস (সবগুলো ২০০১ সালে), তিনটি নেসলে স্মার্টিস বুক প্রাইজ (১৯৯৭-১৯৯৯), দুটি স্কটিশ আর্টস কাউন্সিল বুক এওয়ার্ডস (১৯৯৯ ও ২০০১), উদ্বোধনী হুইটব্রেড বর্ষসেরা শিশুতোষ গ্রন্থ পুরষ্কার, (১৯৯৯), ডব্লিউ এইচ স্মিথ বর্ষসেরা বই (২০০৬)। ২০০০ সালে হ্যারি পটার এন্ড দ্য প্রজনার অব আজকাবান শ্রেষ্ঠ উপন্যাস বিভাগে হিউগো পুরষ্কারের জন্য মনীত হয় কিন্তু পায়নি। তবে ২০০১ সালে হ্যারি পটার এন্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার বইটি উক্ত পুরষ্কার ছিনিয়ে নেয়। অন্যান্য সম্মাননার মধ্যে রয়েছে কার্নেগি মেডেলের জন্য ১৯৯৭ সালে মনোনয়ন, ১৯৯৮ সালে গার্ডিয়ান চিলড্রেন’স এওয়ার্ড পুরষ্কারের সংক্ষিপ্ত তালিকায় স্থান, বিভিন্ন স্থানে স্মরনীয় বইয়ের তালিকায় স্থান, আমেরিকান লাইব্রেরী এসোসিয়েশন, নিউ ইয়র্ক টাইমস, শিকাগো পাবলিক লাইব্রেরী ও পাবলিশার্স উইকলি প্রভৃতিতে সম্পাদকের পছন্ধ এবং প্রস্তাবিত শ্রেষ্ঠ বই তালিকায় অবস্থান।

বাণিজ্যিক সফলতা :

হ্যারি পটার সিরিজের জনপ্রিয়তার কারনে রাউলিং, তার প্রকাশক এবং হ্যারি পটার লাইসেন্সধারীরা আর্থিক দিক দিয়ে প্রচুর লাভবান হয়েছেন । সিরিজের বইগুলো সারাবিশ্বে ৩২৫ মিলিয়নের অধিক কপি বিক্রি হয়েছে এবং বইয়ের কাহিনী অবলম্বনে ওয়ার্নার ব্রস কর্তৃক নির্মিত চলচ্চিত্রও বানিজ্যিক সফলতা পেয়েছে। হ্যারি পটারের কাহিনী নিয়ে নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র হ্যারি পটার এন্ড দ্য ফিলোসফার্স স্টোন আয়ের দিক দিয়ে চতুর্থ অবস্থানে ছিল। অন্যান্য তিনটি চলচ্চিত্রও শীর্ষ ২০ নম্বর অবস্থানের ভেতর ছিল । চলচ্চিত্রগুলো থেকে পাঁচটি ভিডিও গেম নির্মিত হয়েছে এবং সবমিলিয়ে ৪০০ এর অধিক হ্যারি পটার সংক্রান্ত পণ্য (একটি আইপড সহ) বাজারে এসেছে। জুলাই ২০০৫ পর্যন্ত এগুলো থেকে আয় হয়েছে প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলার এবং রাউলিং বিলিয়নিয়ারে পরিনত হয়েছেন যা তাকে যুক্তরাজ্যের রানীর থেকে বিত্তবানে পরিনত করেছে।

২০০৭ সালের ১২ এপ্রিল বার্নেস এন্ড নোবেল ঘোষনা করে ডেথলি হ্যালোজ আগের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করেছে তাদের সাইটে ৫০০,০০০ কপির অর্ডার পাওয়ার মাধ্যমে।

বিতর্ক ও সমালোচনা ও প্রশংসা :

জেকে রাউলিং এর হ্যারি পটার সিরিজ অনেক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বইটি নিয়ে অনেক আইনী লড়াই হয়েছে, যার অনেকাংশের উৎপত্তি হয়েছে আমেরিকান ধর্মীয় সংস্থা থেকে যারা দাবি করে আসছে বইটি শিশুদের মাঝে ডাকিনীবিদ্যার প্রসার ঘটাচ্ছে, এবং আরও কিছু ঘটনা ঘটেছে কপিরাইট ও ট্রেডমার্ক আইনের লঙ্ঘনের ফলে। বইয়ের তুমুল জনপ্রিয়তা ও উচ্চ বাজারমূল্যের কারনে রাউলিং, তার প্রকাশক, তার বইয়ের চলচ্চিত্র প্রযোজক ওয়ার্নার ব্রোসকে কপিরাইট নিশ্চিত করতে বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয়েছে, বইয়ের প্রকাশনা নিয়ন্ত্রন করতে হয়েছে, ওয়েবসাইটের ডোমেইন নিয়ে লড়াই করতে হয়েছে। এছাড়া লেখিকা ন্যান্সি স্টোফার রাউলিং তার নিজের রচনার শব্দ ও চরিত্র চুরি করেছেন বলায় তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হয়েছে। এই আইনি লড়াইয়ে রাউলিং জিতেছেন এবং ন্যান্সি স্টোফারকে ৫০,০০০ মার্কিন ডলার জরিমানা করা হয়েছে।

সাহিত্যিক সমালোচনা :

হ্যারি পটার প্রকাশের শুরুতে বইটি সর্বসাধারনের কাছে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছিল, যা এই সিরিজের বিশাল পাঠকসমাজ তৈরিতে সাহায্য করেছে। হ্যারি পটার এন্ড দ্য ফিলোসফার্স স্টোন প্রকাশের পর ইংল্যান্ডের প্রধান সংবাদপত্রগুলি বইটির প্রভুত প্রশংসা করেছে। এসব সংবাদপত্রের মধ্যে রয়েছে: মেইল অন সানডে যারা রাউলিংকে “রোয়াল্ড ডাল এর পর কল্পনাতীত অভিষেক” হিসেবে আখ্যায়িত করেছে; সানডে টাইমস প্রায় একই কথা বলেছে (”ডালের সাথে তুলনা এক্ষেত্রে সঠিক হয়েছে”), দ্য গার্ডিয়ান একে “নতুন উদ্ভাবনী চিন্তার সমৃদ্ধশালী উপন্যাস” এবং দ্য স্কটসম্যান “একটি চিরন্তন সহিত্যের সৃষ্টি” বলে আখ্যায়িত করেছে। ২০০৩ সালে প্রকাশিত হ্যারি পটার এন্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফিনিক্স অবশ্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত লেখক ও একাডেমি থেকে বিরুপ সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছে। এ. এস. বাট নিউ ইয়র্ক টাইমসে একটি সম্পাদকীয় লেখেন যাতে তিনি বলেন রাউলিং বিশ্ব শিশু সাহিত্যের বিভিন্ন ধারা, কার্টুন, ডেইলি সোপ, টিভি অনুষ্ঠান ও তারকাদের গুজব প্রভৃতির কাল্পনিক চরিত্রকে চতুরতার সাহায্যে পরিবর্ধিত করে তার কাল্পনিক জগৎ গড়ে তুলেছেন

নারীবাদী সমালোচনা :

কিছু নারিবাদী লেখকও হ্যারি পটার সিরিজের সমালোচনা করেছেন। এর মধ্যে ক্রিস্টিন শোফার অগ্রগামী, যিনি উপন্যাসগুলোকে পুরুষপ্রধান ও অন্ধ দেশপ্রেমে পরিপূর্ণ বলে আখ্যায়িত করেছেন। শোফারের মতে সিরিজটি এমন এক বিশ উপস্থাপন করেছে যাতে গতানুগতিক পুরুষ সমাজই সবকিছু করে এবং ধরেই নেয়া হয়েছে তারাই বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবে। শোফার বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে হ্যারির সাহসের সাথে হারমায়োনির অনুভুতিপ্রবণ মানসিকতার তুলনা এবং হ্যারি ও রনের সম্মতির জন্য তার প্রয়োজনীতা কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া নারী অধ্যাপক ম্যাকগোনাগল ও চাপগ্রস্থ অবস্থায় তার মত দুর্বলের সাথে দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ডাম্বলডোরের তুলনা করেছেন। তিনি হ্যারি পটারে শক্ত নারী চরিত্রের অভাবের কথা উল্লেখ করেছেন।

হ্যারি পটার সর্ম্পকে আর জানুন :

তথ্যসূত্র : wikipedia

শুক্রবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০০৯

বাংলাদেশ সেনা বাহিনী সর্ম্পকে আর একটু ভালো করে জানুন

আজ মহান বিজয় দিবস। ১৯৭১ এর এই দিয়ে বাংলাদেশ পৃথিবীর মানচিএ একটি স্বাধীন দেশ হিসাবে নিজের জায়গা করে নেয়। আজ মহান বিজয় দিবস এ আমি আপনাদের বাংলাদেশ সেনা বাহিনী সর্ম্পকে এ কিছু তথ্য তুলে ধরার চেস্টা করবো।

বাংলাদেশ সেনা বাহিনী, বাংলাদেশ সামরিক বাহিনীর একটি শাখা। এই বাহিনী বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পরে ১৯৭১ সালের ২৬শে ডিসেম্বর পাকিস্তানী সেনা বাহিনীর বাঙালি সেনা ও মুক্তি বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে গঠিত হয়। বর্তমানে এই বাহিনীর সামর্থ্য প্রায় ২০০,০০০ সদস্য, যাদের ৫০,০০০ প্রাক-অবসরে (LPR) গিয়েছেন।

সাত ডিভিশনে বিভক্ত এই বাহিনী, ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যান্য সেনাবাহিনীর মতো বৃটিশ সেনাবাহিনীর আদলে গঠিত। অবশ্য এই বাহিনী বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা বাহিনীর কৈশলগত পরিকল্পনা কার্যপ্রনালী, প্রশিক্ষণ ব্যবষ্থপনা পদ্ধতি এবং ননকমিশন অফিসার প্রশিক্ষন পদ্ধতি গ্রহণ করেছে৷ এটি গোলন্দাজ, সাজোয়া ও পদাতিক ইউনিট দ্বারা সজ্জিত ৷ অধিকন্তু এই বাহিনী, শান্তি-রক্ষী বাহিনী হিসাবে তার সামর্থ উন্নত করতে উত্সাহী এবং সেই লক্ষে মার্কিন বাহিনীর সাথে একযোগে কাজ করছে ৷

বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর প্রতিষ্ঠা :

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলা কালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথমিকভাবে ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট-এর বাঙালি সৈন্য ও অফিসার এবং পাকিস্তান সেনা বাহিনীর অন্যান্য অংশ হতে যারা স্বাধীনতা যুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন তাদের সমন্নয়ে এই বাহিনী গঠিন হয়। এই নতুন বাহিনী তিনটি ব্রিগেডে বিভক্ত ছিল।

  • জেড ফোর্স- অধিনায়ক ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান এবং এটি গঠিত হয়েছিল ১ম, ৩য় এবং ৮ম ইষ্ট বেংগল রেজিমেন্ট নিয়ে।
  • এস ফোর্স- অধিনায়ক ছিলেন মেজর শফিউল্লাহ এবং এটি গঠিত হয়েছিল ২য় এবং ১১শ ইষ্ট বেংগল রেজিমেন্ট নিয়ে ১৯৭১ সালের অক্টবর মাসে।
  • কে ফোর্স – অধিনায়ক ছিলেন খালেদ মোশাররফ এবং এটি গঠিত হয়েছিল ৪থ, ৯ম এবং ১০ম ইষ্ট বেংগল রেজিমেন্ট নিয়ে।

bangladesh army

সংগঠন

বর্তমানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সারা দেশে ছড়ানো ২৩টি ব্রিগেড সহ ৭টি পদাতিক ডিভিসনে বিভক্ত। এতে একটি আরমার্ড (সাজোয়া) ব্রিগেড (২টি সাজোয়া রেজিমেন্ট), সাতটি গোলন্দাজ ব্রিগেড, একটি সয়ংসম্পূর্ণ এয়ার-ডিফেন্স গোলন্দাজ ব্রিগেড, একটি ইঞ্জিনিয়ার্স ব্রিগেড, একটি কমান্ডো ব্যাটেলিয়ন এবং দুটি এভিয়েশন স্কোয়াড্রন আছে। এই বাহিনী নিম্নক্ত আর্মস্ ও সারভিস কোর সমূহে

আর্মস্ :

  • আরমার্ড কোর
  • বাংলাদেশ ইনফেন্ট্রি রেজিমেন্ট (বিআইআর)
  • আর্মি এভিয়েশন
  • রেজিমেন্ট অফ আর্টিলারি
  • কোর অফ ইঞ্জিনিয়ারস্
  • কোর অফ সিগনালস্
  • ইষ্ট বেংগল রেজিমেন্ট (ইবি)

সারভিসেস্ :

  • আর্মি সারভিসেস্ কোর
  • আর্মি মেডিকেল কোর
  • আর্মি অরডিনেন্স কোর
  • কোর অফ ইলেক্ট্রিকাল এন্ড মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারস্
  • রিমাউন্টস্ ভ্যাটেনারী এন্ড ফার্ম কোর
  • আর্মি ডেন্টাল কোর
  • কোর অফ মিলিটারী পুলিশ
  • আর্মি এডুকেশন কোর
  • আর্মি কোর অফ ক্লার্ক
  • আর্মড ফোর্সেস্ নার্সিং সারভিসেস্

বাংলাদেশ সেনাবাহিনি ব্যাচ :

Bangladesh Army

কমান্ড এ্যান্ড কন্ট্রোল

  • চীফ অফ আর্মি স্টাফ : জেনারেল আব্দুল মুবীন, পিএসসি
  • চীফ অফ জেনারেল স্টাফ : লেফটেনেন্ট জেনারেল আব্দুল হাফিজ,এনডিসি, পিএসসি
  • এডজুটেন্ট জেনারেল : মেজর জেনারেল এ কে এম মুজাহিদ উদ্দিন, এনডিইউ,afwc, পিএসসি
  • কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল : লেফটেনেন্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গির আলম চৌধুরী, এনডিসি, পিএসসি
  • মাস্টার জেনারেল অফ অর্ডিনেন্স : মেজর জেনারেল আব্দুল মতিন, afwc, পিএসসি, পিটিএসসি
  • ইঞ্জিনিয়ার ইন চীফ : ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হামিদ-আল-হাসান, এনডিসি
  • মিলিটারী সেক্রেটারী : মেজর জেনারেল মুহাম্মদ মাহবুব হায়দার খান, এনডিসি, পিএসসি

এরিয়া কমান্ড

  • সাভার এরিয়া (৯ পদাতিক ডিভিসন)
  • বগুড়া এরিয়া (১১ পদাতিক ডিভিসন)
  • ঘাটাইল এরিয়া (১৯ পদাতিক ডিভিসন)
  • চট্টগ্রাম এরিয়া (২৪ পদাতিক ডিভিসন)
  • কুমিল্লা এরিয়া (৩৩ পদাতিক ডিভিসন)
  • যশোর এরিয়া (৫৫ পদাতিক ডিভিসন)
  • রংপুর এরিয়া (৬৬ পদাতিক ডিভিসন)
  • ৬ এয়ার ডিফেন্স আর্টিলারী ব্রিগেড
  • ১৪ ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স ব্রিগেড
  • আর্মি সিগন্যাল ব্রিগেড
  • ৪৬ ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইনফেন্ট্রি ব্রিগেড
  • লজিষ্টিক এরিয়া

ব্যবহৃত অস্ত্র সামগ্রী :

  • এফএস ৩৫ পিস্তল
  • স্টারলিং এল২ সাবমেশিন গান
  • এমপি৫ সাবমেশিন গান
  • এফএন এফএএল এ্যাসাল্ট রাইফেল
  • জি৩ এ্যাসাল্ট রাইফেল
  • একে-৪৭ এ্যাসাল্ট রাইফেল
  • এসকেএস রাইফেল
  • বিডি-০৮ এ্যাসাল্ট রাইফেল
  • টাইপ ৫৬ এ্যাসাল্ট রাইফেল
  • টাইপ ৮১ এ্যাসাল্ট রাইফেল
  • একে-১০৩ এ্যাসাল্ট রাইফেল
  • একেএম এ্যাসাল্ট রাইফেল
  • এম৪ কার্বিন
  • এইচকে১১এ১/২১এ১ মেশিন গান
  • আরপিডি মেশিন গান
  • DShk 1938 হেভি মেশিন গান
  • ব্র্যান এল৪ হালকা মেশিন গান
  • এমজি৩ মেশিন গান
  • এমএসজি৯০ স্নাইপার রাইফেল
  • কার্ল গুস্তাভ এম২ এন্টি-ট্যাংক উইপন

মেইন ব্যাটেল ট্যাংক:

  • টাইপ ৫৪/৫৫ – রাশিয়ার তৈরী এমবিটি, বর্তমানে এগুলোকে এপিসি, আইএফভি ও এসপিএইচ-এ পরিবর্তীত ও উন্নীত করা হচ্ছে যাতে সামনে আরো অনেক বছর এগুলো কাজে লাগানো যায়। উপসাগরীয় যুদ্ধে সাদ্দাম হোসেন ও তার সৈণ্য বাহিনীর বিরুদ্ধে বৃহত্তর আর্ন্তজাতিক সহযোগীতার অংশ হিসাবে বাংলাদেশ তার সৈণ্য সৌদি আরবে মোতায়েন করায় সৌদি সরকার প্রায় শ’খানেক এজাতীয় ট্যাংক বাংলাদেশকে দান করেছে।
  • টাইপ ৫৯ II- রাশিয়ান টাইপ ৫৪এ মেইন ব্যাটেল ট্যাংকের চীনা সংস্করন। ১৯৯০ পর্যন্ত বাংলাদেশ টাইপ ৫৪এ এমবিটি সহ ১২০টা ট্যাংক চীন থেকে কিনেছে।
  • টাইপ ৯৬- বাংলাদেশে এ জাতীয় ট্যাংক ৪৮টি আছে। আরও ১০০টি শীঘ্রই অন্তর্ভূক্ত হবে।
  • টাইপ ৭৯ – চীনের তৈরী টাইপ ৬৯ এমবিটি-এর উন্নত সংস্করন। বর্তমানে বাংলাদেশ প্রায় শ’খানেক টাইপ ৭৯ এমবিটি ব্যবহার করছে।

লাইট ব্যাটেল ট্যাংক:

  • টাইপ ৬২ – চীনের তৈরী এই ট্যাংক জলাভূমি, জঙ্গলাকীর্ণ এবং পাহাড়ী এলাকায় চলাচল উপযোগী। বাংলাদেশের কাছে মোট ১৪২টি এই ধরনের ট্যাংক আছে। পরবর্তীতে এতে লেজার রেন্ঞ্জ ফাইন্ডার যুক্ত করা হয়েছে এবং উচ্চ বিস্ফোরক ট্যাংক বিদ্ধ্বংশী (HEAT) গোলার ঘাতসহ করা হয়েছে।

ট্র্যাক্ট আর্মার্ড ফাইটিং ভ্যাইকেলস্:

  • বিটিআর-টি – এটি বাংলাদেশী ইঞ্জিনিয়ারদের দ্বারা টি-৫৪/৫৫ এমবিটি হতে রূপান্তরিত আর্মড ফাইটিং ভ্যাইকেলস্ (এএফভি)। আর্মি প্রায় শ’খানেক এমবিটি-কে আধুনিক সুরক্ষিত হেভি এপিসি-তে রূপান্তরিত করেছে। এপিসির প্রযোজনীয় যন্ত্রংশ রাশিয়া হতে সংগ্রহীত এবং স্থানীয় ভাবে সংযোজিত।
  • এম ১১৩ – এটি যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তনের তৈরী। বাংলাদেশ শুধুমাত্র শান্তি রক্ষা মিশনে ব্যবহারের জন্য লিজ নিয়েছে।
  • এমটি-এলবি – এটি রাশিয়ার তৈরী হালকা অস্ত্রে সজ্জিত এপিসি। বাংলাদেশ আর্মির কাছে ২০টি এমটি-এলবি আছে।
  • ওয়াইডাব্লিউ-৫৩১ (টাইপ ৮৫) – চীনের তৈরী এই এপিসিতে একটি ১২.৭ মিমি ভারী মেশিনগান ও ১০ জনের বসার জায়গা আছে। বাংলাদেশের কাছে এই এপিসি ৫০টি আছে।

এন্টি এয়ারক্রাফ্ট আর্টিলারী :

  • এম-৫৩/১
  • এম-৫৩/২
  • টাইপ ৫৫
  • টাইপ ৫৬
  • টাইপ ৫৮
  • টাইপ ৫৯
  • টাইপ ৯০
  • জেডপিইউ-১
  • জেডপিইউ-২৩
  • এইচএন-৫
  • কিউডাব্লিউ-২ – স্থানীয়ভাবে তৈরী
  • আরবিএস-৭০ – অসমর্থিত

এ পযন্ত যারা সেনা প্রধান হয়েছে তাদের তালিকা :

  • কর্ণেল এম. এ. রব (জুলাই ১৯৭১-এপ্রিল ১৯৭২)
  • মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ (এপ্রিল ১৯৭২-আগস্ট ১৯৭৫)
  • মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান (আগস্ট-নভেম্বর ১৯৭৫) (৩রা নভেম্বরের অভ্যুত্থানে চাকুরিচূত)
  • মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান (পুনঃনিয়োগ) (৭ই নভেম্বর ১৯৭৫-ডিসেম্বর ১৯৭৮)
  • লেফটেনেন্ট জেনারেল হুসাইন মুহম্মদ এরশাদ (ডিসেম্বর ১৯৭৮-অক্টোবর ১৯৮৬)
  • লেফটেনেন্ট জেনারেল আতিকুর রহমান (১লা সেপ্টেম্বর ১৯৮৬-নভেম্বর ১৯৯০)
  • লেফটেনেন্ট জেনারেল নুরুদ্দিন খান (নভেম্বর ১৯৯০-১৯৯৪)
  • লেফটেনেন্ট জেনারেল মাহবুবুর রহমান (২০শে মে ১৯৯৪-১৯৯৬)
  • লেফটেনেন্ট জেনারেল আবু সালেম মুহাম্মদ নাসিম (১৯৯৬)
  • জেনারেল মুস্তাফিজুর রহমান (২৪শে ডিসেম্বর ১৯৯৭-২৩শে ডিসেম্বর ২০০০)
  • লেফটেনেন্ট জেনারেল এম হারুনার রশিদ (২৪শে ডিসেম্বর ২০০০-১৬ই জুন ২০০২)
  • লেফটেনেন্ট জেনারেল হাসান মাশহুদ চৌধুরী (১৬ই জুন ২০০২-১৫ই জুন ২০০৫)
  • জেনারেল মইন উ আহমেদ (১৫ই জুন ২০০৫-১৪ জুন ২০০৯)
  • জেনারেল আব্দুল মুবীন (১৫ই জুন ২০০৯ – বর্তমান)

প্রধান যুদ্ধ সমূহ :

  • বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ
  • পার্বত্য চট্টগ্রাম

শান্তিকালীন কর্মকান্ড :

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী জাতিসংঘ-র UNPSO (United Nation Peace Support Operation) এর সাথে সক্রিয় ভাবে জড়িত। ১৯৯১ সালের ১ম উপসাগরীয় যুদ্ধ চলাকালে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ২,১৯৩ জন সদস্য বিশিষ্ঠ একটি দল সৌদি আরব এবং কুয়েত-এর শান্তি রক্ষা কাজের পর্যবেক্ষক হিসেবে প্রেরণ করে। পরবর্তীতে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শান্তি রক্ষা কাজে অংশ গ্রহন করে নামিবিয়া, কম্বোডিয়া, সোমালি, উগান্ডা/রুযান্ডা, মোজাম্বিক, প্রাক্তন ইয়োগোস্লাভিয়া, লাইবেরিয়া, হাইতি, তাজিকিস্তান, পশ্চিম সাহারা, সিয়েরা লিয়ন, কসোভো, জর্জিয়া, পূর্ব তিমুর, কঙ্গো, আইভরি কোষ্ট ও ইথিওপিয়া। ২০০৬ এর এপ্রিল মাসে বাংলাদেশের প্রায় ৯,৫০০ সৈন্য সারা বিশ্বে জাতিসঙ্ঘ শান্তি-রক্ষী বাহিনীতে কর্মরত আছে, যা অন্য যেকোন দেশ হতে বেশি। এই বাহিনী আবার ১৯৭৫ সালে সংঘটিত অভ্যুত্থানের সাথে জরিত, যার ফলে শেখ মুজিবুর রহমান নিহত হন এবং দেশে সামরিক শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।

সুএঃ

আসুন একটু জানি জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকি এর সেই ভয়াভয় ঘটনা

১৯৪৫ সালের ৬ই আগস্ট ঠিক বেলা ২ : ৩০ যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী জাপানের হিরোশিমা শহরের ওপর লিটল বয় নামের নিউক্লীয় বোমা ফেলে এবং এর তিন দিন পর ৯ই আগস্ট নাগাসাকি শহরের ওপর ফ্যাট ম্যান নামের আরেকটি নিউক্লীয় বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। অনুমান করা হয় যে ১৯৪৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বোমা বিস্ফোরণের ফলে হিরোশিমাতে প্রায় ১৪০,০০০ লোক মারা যান। নাগাসাকিতে প্রায় ৭৪,০০০ লোক মারা যান এবং পরবর্তীতে এই দুই শহরে বোমার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় সৃষ্ট রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান আরও ২১৪,০০০ জন।জাপানের আসাহি শিমবুন-এর করা হিসাব অনুযায়ী বোমার প্রতিক্রিয়ায় সৃষ্ট রোগসমূহের ওপর হাসপাতাল থেকে পাওয়া তথ্য গণনায় ধরে হিরোশিমায় ২৩৭,০০০ এবং নাগাসাকিতে ১৩৫,০০০ লোকের মৃত্যু ঘটে। দুই শহরেই মৃত্যুবরণকারীদের অধিকাংশই ছিলেন বেসামরিক ব্যক্তিবর্গ । নাগাসাকি আক্রমণের ছয় দিন পর ১৫ আগস্ট মিত্রবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণের ঘোষণা দেয় জাপান। সফল হয় ম্যানহাটন প্রজেক্ট’!

ম্যানহাটন প্রকল্প ঃ

ম্যানহাটন প্রকল্প পারমানবিক বোমা তৈরীর জন্য প্রতিষ্ঠিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রকল্পের নাম যাতে যুক্তরাজ্যের সক্রিয় সহযোগিতা ছিল। এই প্রকল্পের মাধ্যমে নির্মিত পারমানবিক বোমার মাধ্যমেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্ত হয়েছিল। একে পৃথিবীর ইতিহাসে সর্ববৃহৎ বৈজ্ঞানিক ও শৈল্পিক প্রচেষ্টা হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।এই প্রকল্পের জন্য মোট ১৭৫,০০০ লোক কাজ করেছিল এবং এতে খরচ হয়েছিল প্রায় ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার । প্রকল্পের নেতৃত্ব দেন মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী জে. রবার্ট ওপেনহেইমার।প্রকল্পে অংশগ্রহণকারী উল্লেখযোগ্য বিজ্ঞানী ও গণিতবিদদের মধ্যে রয়েছেন ফিলিপ এইচ আবেলসন, হান্স বেটে , সেথ নেডারমেয়ার, জন ফন নিউমান, ইসিদোর ইজাক রাবি, লিও জিলার্দ, এডওয়ার্ড টেলার, স্তানিসল’ উলাম, নিল্‌স বোর, জেম্‌স চ্যাডউইক, এনরিকো ফের্মি, রিচার্ড ফাইনম্যান, অটো ফ্রিশ্‌চ, জর্জ কিস্তিয়াকোভ্‌স্কি, আর্নেস্ট লরেন্স, ফিলিপ মরিসন, হ্যারল্ড উরে এবং ভিক্টর ওয়েইজকফ। প্রকল্পে কাজ শুরু করার আগেই এদের মধ্যে ৫ জন নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন এবং যুদ্ধের পর এখান থেকে আরও ৩ জন নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।ম্যানহাটন প্রকল্প ৪টি পারমানবিক বোমা বানিয়েছিল। এর মধ্যে ট্রিনিটি নামক প্রথম বোমাটি নিউ মেক্সিকোর আলামোগোর্ডোর নিকটে পরীক্ষামূলকভাবে বিস্ফোরিত করা হয়। অন্য দুটি লিটল বয় ও ফ্যাট ম্যান বোমা ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট এবং ৯ আগস্ট তারিখে যথাক্রমে জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে বিস্ফোরিত হয়। শেষ বোমাটি আগস্টের শেষ দিকে জাপানের উপর নিক্ষেপ করার জন্য প্রস্তুত করে রাখা হয়েছিল। কিন্তু তার আগেই জাপান আত্মসমর্পণ করে এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে। ১৯৪২ সালে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয় এবং ১৯৪৬ সালে একে এটমিক এনার্জি কমিশনের অন্তর্ভুক্ত করে নেয়া হয়। এর ফলে মূলত ম্যানহাটন প্রকল্পের সমাপ্তি ঘটে।

লিটল বয়

  • তেজস্ক্রিয় পরমাণু: ইউরেনিয়াম -২৩৫
  • ওজন: চার হাজার কেজি, দৈর্ঘ্য: ৯.৮৪ ফুট, পরিধি: ২৮ ইঞ্চি
  • বহনকারী বিমান এর নাম : বি-২৯ সুপারফোর্টেস
  • পাইলট এর নাম : কর্নেল পল টিবেটস
  • বোমা পতনে সময় লাগে : ৫৭ সেকেন্ড
  • মূল আঘাত: শিমা সার্জিক্যাল ক্লিনিক
  • বিস্ফোরণের মাত্রা: ১৩ কিলোটন টিএনটির সমতুল্য

250px Atomic cloud over Hiroshima আসুন একটু জানি জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকি এর সেই ভয়াভয় ঘটনা | Techtunes

***হিরোশিমার ওপরে ফেলা লিটল বয়-এর বিস্ফোরণে উদ্ভূত ব্যাঙের ছাতার মেঘ

ফ্যাট ম্যান

  • তেজস্ক্রিয় পরমাণু: প্লুটোনিয়াম-২৩৯
  • ওজন: চার হাজার ৬৩০ কেজি, দৈর্ঘয: ১০.৬ ফুট, পরিধি: পঁাচ ফুট
  • বহনকারী বিমান এর নাম : বি-২৯ বক্সকার
  • পাইলট এর নাম : মেজর চার্লস ডব্লু সুইনি
  • বোমা পতনে সময় লাগে : ৪৩ সেকেন্ড
  • মূল আঘাত: মিতসুবিশি স্টিল ও অস্ত্র কারখানা এবং মিতসুবিশি-উরাকামি সমরাস্ত্র কারখানার মাঝে
  • বিস্ফোরণের মাত্রা: ২১ কিলোটন টিএনটির সমতুল্য

নাগাসাকির

***নাগাসাকির ওপর ফেলা ফ্যাট ম্যান নামের নিউক্লীয় বোমার বিস্ফোরণে উদ্ভূত ব্যাঙের ছাতার মেঘ অধিকেন্দ্র থেকে ১৮ কিমি (১১ মাইল বা ৬০,০০০ ফুট) ওপরে উঠছে

আমি এখানে এ ঘটনার কিছু ভিডিও ক্লিপ এর লিঙ্ক দিলাম।

সুএ ঃ উইকিপিডিয়া , প্রথম আলো প্রত্রিকা

এত বড় মানের ওয়েব সাইট !!!!!!! এত নিম্ন মানের বিজ্ঞাপন ?????

আমি যে ওয়েব সাইট টির কথা বলবো সে ওয়েব সাইট টিকে আপনারা সবাই চিনেন। সাইটির নাম মুনবিডি ডট কম । আমরা সবাই জানি কিছু ওয়েব সাইট আসে যারা ইমেল চেক করলে হাজার হাজার Euro প্রদান করে থাকে । জিনিস টি আসলে হাস্যকর। আসলে এটি একদমে ভুয়া। আর এ সাইট গুলোর মধ্য অন্যতম হল Depacco depacco 03 75x20 এত বড় মানের ওয়েব সাইট !!!!!!! এত নিম্ন মানের বিজ্ঞাপন ?????  | Techtunes

। আর এই ভুয়া ওয়েব সাইট নিয়ে মুনবিডি ডট কম কোন শেষ নেই । মুনবিডি ডট কম থেকে কোন ভিডিও ডাউনলোড করলেও সেখনে Depacco এর বিজ্ঞাপন দেখা যায় ।

xino.php?embed=1&STWAccessKeyId=8bc9ef4a8c23d5d&Size=xlg&stwUrl=http%3A%2F%2Fwww.moonbd এত বড় মানের ওয়েব সাইট !!!!!!! এত নিম্ন মানের বিজ্ঞাপন ?????  | Techtunes

xino.php?embed=1&STWAccessKeyId=8bc9ef4a8c23d5d&Size=xlg&stwUrl=http%3A%2F%2Fwww.depacco এত বড় মানের ওয়েব সাইট !!!!!!! এত নিম্ন মানের বিজ্ঞাপন ?????  | Techtunes

মুনবিডি ডট কম প্রতিদিন হাজার হাজার ভিজিটর থাকে । তারা লোভোনিও বিজ্ঞাপন দেখে Depacco রেজিস্টেশন করে অঝথা সময় নস্ট করসে । এটি ঠিক ??????????

টিউন খারাপ লাগলে বলবেন , মুছে দিবো ।