প্রথমে যা যা লাগবেঃ
- ২৪০ টি এল ই ডি (লাইট) ।
- ট্রান্সফরমার ১টি (১৬ ভোল্ট , ১ আম্পিয়ার এসি ) ।
- একটি স্টিল ওয়ার (১৪ ফিট লোং) ।
- কিছু লম্বা তার ।
আগের পর্বে আলোচনা করেছিলাম চোখ সর্ম্পকে , আজ দেহের অন্যান্য অজ্ঞে সর্ম্পকে আলোচনা করবো।
কম্পিউটারে বিশেষ করে যারা ডাটা এন্ট্রির কাজ করে এবং যারা প্রোগ্রামার তাদের দীর্ঘক্ষন ধরে কী-বোর্ড ব্যবহার করতে হয়। এতে তাদের হাত এর উপর প্রচুর চাপ পড়ে । একটু সঠিক ভাবে ব্যবহার করলে দেহের উপর কম চাপ পরবে। এর সাথে ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক রেডিয়েশন , গর্ভবতিদের জন্য কম্পিউটার ব্যবহার এর ক্ষতি সর্ম্পকে আলোচনা করার চেস্টা করবো ।
• কী-বোর্ড এর পরিবর্তে মাউস বেশি ব্যবহার করার চেস্টা করুন।
যারা দীর্ঘক্ষন ধরে কম্পিউটার এ কাজ করে তাদের ডিপ্রেশ্ন , এলার্জি আরও অনেক ধরনের অসুবিধা দেখা যায়। এগুলোর জন্য বিজ্ঞানিরা ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক রেডিয়েশন কে দায়ী করেছেন। এখন বড় বড় কম্পানিরা রেডিয়েশন মুক্ত যন্ত্রপাতি তৈরী করার চেস্টা করছে। এজন্য কম্পিউটার কেনার সময় কম রেডিয়েশন হয় এমন সব যন্ত্রপাতি কেনা উচিত।
গর্ভবতিদের জন্য কম্পিউটার ব্যবহার করা উচিত না । বিজ্ঞানিরা গবেষনা করে দেখেছেন গর্ভবতিদের মধ্যে যারা ২০ ঘন্টার বেশি কম্পিউটার ব্যবহার করেছেন তাদের Micrariases , Pre – mature এবং Still born শিশু হয়েছে। কম্পিউটারের ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রশ্নির জন্য এটা হয়ে থাকে। গর্ভবতি মহিলারা কম্পিউটার ব্যবহার করলে গর্ভ এর সন্তানের উপর চাপ পড়ে।
প্রত্যহ দীর্ঘখন কম্পিউটারে কাজ করলে আমাদের শরীর এর কিছু অঙ্গের উপর অত্যাধিক চাপ এবং কম্পিউটার হতে নিঃসৃত ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রশ্নি আমাদের বিভিন্ন ক্ষতি করতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে কম্পিউটার ব্যবহার করলে চোখ ও শরীর এর বিভিন্ন অসুবিধা দেখা দেই। বিজ্ঞানিরা বিভিন্ন গবেশনা করে অসুবিধা প্রতিরোধ ও নিরাময় পথ বের করেছে। বিজ্ঞানিরা যে শাখায় এ শারারিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করে তার নাম তারা দিয়েছে এরগোনমিকস ( Ergonomics ) । দীর্ঘখন কম্পিউটারে কাজ করলে কিছু কিছু সমস্যা বা যন্ত্রনা বোধ হয় এবং হাত , ঘার , মাথা , কাধ এমন কি পায়েও ব্যাথা হয়। আমরা এবিষয় একটু সচেতন হলে এর প্রতিকার করতে পারি। নিচে এ বিষয় আলোচনা করা হল।
মনিটরের অতিরিক্ত আলো ও আলোর অপর্যাপ্ত বা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি হওয়া , স্কীন এবং চোখের মধ্যে দূরতের গরমিল এবং এবং অচ্ছচ স্কীন কম্পিউটার ব্যবহারকারির বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে । যেমনঃ
সব সময় সম্ভব না হলেও মাঝে মাঝে নিচের ব্যায়াম করার চেস্টা করবেন
আজ এ পর্যন্ত । আপনাদের যদি ভালো লাগে তবে কমেন্ট করবেন , তাহলে পরের টিউন হাত , ঘাড় , পা ইত্যাদি সম্পর্কে আলোচনা করবো। সবাইকে ধন্যবাদ।
আপনারা হয় ত সবাই জানেন কিভাবে ড্রাইব এর আইকন পরিবর্তন করে , কিন্তু আপনি ইচ্ছা করলেই ছোট software দিয়ে আপনার ড্রাইব এর আইকন পরিবর্তন ও আপনার ড্রাইব লুকাতে পারবেন । এই software টি মাত্র ১ মেগাবাইটের।
সবাইকে ইংরেজী নববর্ষ এর শুভেচ্ছা । আজ আমি যে টিউন টা করবো এটা হয়ত কার উপকারে আসবে না ,তবে এ থেকে কিছু তথ্য হয় ত পেতে পারেন । আজ আমি কয় একজন মহামানবের সাথে আপনাদের পরিচয় করে দিবো যাদের জন্য হয় আজ আমি টেকটিউনস এ টিউন করতে পারছি এবং আপনারা টিউন পড়তে পারছেন। ১ম আমি যে ব্যক্তি তার নাম বলবো তিনি হলে
চার্লস ব্যাবেজ (২৬শে ডিসেম্বর, ১৭৯১—১৮ই অক্টোবর, ১৮৭১) একজন ইংরেজ গণিতবিদ। তাঁকে কম্পিউটারের জনক হিসাবে অভিহিত করা হয়। তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিন ও অ্যানালাইটিকাল ইঞ্জিন নামের দুইটি যান্ত্রিক কম্পিউটার তৈরী করেন। তাঁর তৈরি অ্যানালাইটিকাল ইঞ্জিন যান্ত্রিকভাবে গাণিতিক অপারেশন সম্পাদন করতে পারত এবং এর বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য আজকের কম্পিউটারের ডিজাইনে এখনও গুরুত্বপূর্ণ। অর্থায়নের অভাবে ব্যাবেজ তাঁর প্রকল্পটি সম্পূর্ণ করতে পারেননি।
এবার যে ব্যক্তি তার নাম বলবো তিনি
রে টমলিনসন (জন্ম ১৯৪১ ) ১৯৭০ সালের দিকে নেটেনক্স অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে লোকাল ইমেইল সিস্টেম উদ্ভাবন করেন যা SNDMSG এবং READMAIL হিসেবে নামকরন করা হয়। ১৯৭১ এর দিকে তিনি পুনরায় আরপানেট উপযোগী একটি ইমেইল সিস্টেম উদ্ভাবন করেন। তিনই প্রথম ইমেলের প্রাপপকে চিহিৃত করার জন্য @ সিম্বল ব্যবহার করেন যা বর্তমান ইমেইল সিস্টেমে ব্যবহার হয়ে থাকে।
এর পরবর্তি সময় থেকে ক্রমান্বয়ে MAIL, MLFL, RD, NRD, WRD, MSG, MMDF ও Send Mail সহ বিভিন্ন মেইলিং সিস্টেম ও স্টান্ডার্ড উদ্ভাবিত হয়।
এবার যে ব্যক্তি তার নাম বলবো তিনি
স্যার টিম বার্নার্স-লি (জন্ম জুন ৮, ১৯৫৫) ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব কনসোর্টিয়ামের ডিরেক্টর।১৯৮৯ সালে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় সার্ন এই কর্মরত অবস্থায় স্যার টিম বার্নার্স-লি ওয়ার্লড ওয়াইড ওয়েব তৈরি করেন। সেটা থেকে শুরু করে ওয়েবের উন্নতিসাধনে তিনি গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। উদাহরণস্বরূপ, তিনি মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ তৈরিতে ভূমিকা রাখেন যার মাধ্যমে ওয়েবপেজ অলঙ্করণ বা কম্পোজ করা হয়। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি সেমান্টিক ওয়েব তৈরিতেও উত্সাহ প্রদান করেছেন।
টাইটানিক , আর এম এস কুইন মেরি ২ যাত্রীবাহি জাহাজ চেয়েও এখন বৃহওম যাত্রীবাহি জাহাজ MS Oasis of the Seas । এটি টাইটানিকের চেয়ে ৫গুন ও আর এম এস কুইন মেরি ২ দুইগুন বড় । এটির ফিনল্যান্ডের টু্রকুতে অবস্থিত এস টি এক্স ইউরোপ শিপইয়াওর্ডের নিওর্মিত এ জাহাজটির মালিক রয়েল ক্যারাবিয়ারন ইন্টারনেশনাল । এ টি নির্মান কাজ শুরু হয় ১২ নভেম্বর ২০০৭ , আর কাজ শেষ হয় ২৮ অক্টোবর ২০০৯ । এবং এটি পরিক্ষামুলক ভাবে ৩০ অক্টোবর ২০০৯ ১ম সমুদ্রে নামে । ২১ দিন পর ২০নভেম্বর ২০০৯ এটি যুক্তরাস্টে এর ফ্লোরিডার পোট এভারগ্লেডসে পৌছায়। এটি আনুষ্ঠানিক ভাবে যাত্রা শুরু করে ৫ ডিসেম্বর ২০০৯।
এ জাহাজ টি হল ২০তলা , এতে রয়েছে ১৬টি ডেক , ২৪টি যাত্রীবাহী এলিবেটর , ৭০০টি কেবিন , ৪টি সুইমিং পুল , টেনিস ,ভলিবল্ , বাস্কেটবল কোর্ট , আর রয়েছে ছোট আকারে একটি গোলফ কোর্ট।
এসারা ছোট বাচ্চাদের জন্য আছে নার্সারি , তরুন দের জন্য আছে থিম পার্ক ।
এবং চারিদিকে গ্যালারি বেস্টিত সুবিশাল মাঠ এবং বরফ বেস্টিত মাঠ ।
আজ হঠাৎ সাপ সর্ম্পকে জানার ইচ্ছা হল , তাই বিভিন্ন ওয়েব সাইট ঘেটে কিছু তথ্য পেলাম । এগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।
সাপ বা সর্প হাতপাবিহীন এক প্রকার সরীসৃপ। বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস অনুযায়ী, Animalia (প্রাণী) জগতের, Chordata (কর্ডটা) পর্বের, Vertebrata (মেরুদণ্ডী) উপপর্বের, Sauropsida (সরোপ্সিডা) শ্রেণীর (শল্ক বা আঁশযুক্ত), Squamata (স্কোয়ামান্টা) বর্গের, Serpentes (সার্পেন্টেস) উপবর্গের সদস্যদের সাপ বলে অভিহিত করা হয়।অ্যান্টার্কটিকা ছাড়া সকল মহাদেশেই সাপের উপস্থিতি দেখা যায়। এখন পর্যন্ত যতোদূর জানা যায়, সাপের সর্বমোট ১৫টি পরিবার, ৪৫৬টি গণ, এবং ২,৯০০টিরও বেশি প্রজাতি রয়েছে। এদের আকার খুব ছোট, ১০ সে.মি. (থ্রেড সাপ) থেকে শুরু করে সর্বচ্চো ২৫ ফুট বা ৭.৬ মিটার (অজগর ও অ্যানাকোন্ডা) পর্যন্ত হতে পারে। সম্প্রতি আবিষ্কৃত টাইটানওবোয়া (Titanoboa) সাপের জীবাশ্ম প্রায় ১৩ মিটার বা ৪৩ ফুট লম্বা। বিষধরদের জন্য বিখ্যাত হলেও বেশীরভাগ প্রজাতির সাপ বিষহীন এবং যেগুলো বিষধর সেগুলোও আত্মরক্ষার চেয়ে শিকার করার সময় বিভিন্ন প্রাণীকে ঘায়েল করতেই বিষের ব্যবহার বেশি হয়। কিছু মারাত্মক বিষধর সাপের বিষ মানুষের মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুকি বা মৃত্যুর কারণ ঘটায়।
সাপ প্রকৃতপক্ষে মানুষ শিকার করে না এবং সাপকে কোনো কারণে উত্তেজিত করা না হলে বা সাপ আঘাতগ্রস্থ না হলে তারা মানুষের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলে। ব্যাতিক্রম ছাড়া কনস্ট্রিক্টর ও বিষহীন সাপগুলো মানুষের জন্য কোনো হুমকি নয়। বিষহীন সাপের কামড় মানুষের জন্য ক্ষতিকর নয়, কারণ তাদের দাঁত মূলত কোনো কিছ আঁকড়ে ধরা ও ধরে রাখার মতো। বর্ষার পানি মাটির গর্তে ঢুকলে বেঁচে থাকার জন্য সাপ বের হয়ে আসে এবং মানুষকে দংশন করতে পারে। বিষধর সাপ দংশনের লক্ষণগুলো হচ্ছে বমি, মাথাঘোরা, কামড়ানোর স্খানে ফোলা, রক্তচাপ কমে যাওয়া, চোখে ডাবল দেখা, ঘাড়ের মাংসপেশী অবশ হয়ে ঘাড় পেছনের দিকে হেলে পড়া। এমন হলে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করাতে হবে। হাসপাতালে নেয়ার আগে আক্রান্ত জায়গা নাড়াচাড়া করা যাবে না। হাত বা পায়ে কামড় দিলে হাতের পেছনের দিকে কাঠ বা বাঁশের চটা বা শক্ত জাতীয় কিছু জিনিস রেখে শাড়ির পাড় বা পরিষ্কার কাপড় দিয়ে স্প্লিন্ট তৈরি করে বেঁধে দিতে হবে। আক্রান্ত জায়গা কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে দিতে হবে। লক্ষ রাখবেন বেশি টাইট করে বাঁধা যাবে না। বাঁধলে রক্ত সরবরাহ ব্যাহত হয়ে গ্যাংগ্রিন হতে পারে। বিষ শিরা দিয়ে নয়, লসিকাগ্রন্থি দিয়ে শরীরে ছড়ায়। সাপে কাটা রোগীকে ওঝা-বৈদ্য বা কবিরাজ না দেখিয়ে বিজ্ঞানসম্মত আধুনিক চিকিৎসার জন্য নিকটস্খ হাসপাতালে নিয়ে যান। আক্রান্ত জায়গায় কাঁচা ডিম, চুন, গোবর কিছুই লাগাবেন না। এতে সেল্যুলাইটিস বা ইনফেকশন হয়ে রোগীর জীবনহানি ঘটতে পারে।
এ টি পৃথিবীর ১ নাম্বার ভয়ংকর সাপ।তাইপান সাপ সাধারনত ওলিভ ও ব্রাউন রঙ এর হয়ে থাকে। এটি সাধারনত ১.৮ থেকে ৩.৫ মিটার লম্বা হয়ে থাকে। এটি সবচেয়ে বেশি অস্টলিয়ায় পাওয়া যায়।
এ টি পৃথিবীর ২ নাম্বার ভয়ংকর সাপ।এটি সাধারনত কালো রঙ এর হয়ে থাকে। এটি সাধারনত ৯০ সে.মি থেকে ১.৫ মিটার লম্বা হয়ে থাকে। এটি ভারত , সিলংকা ও পাকিস্থানে পাওয়া যায়।
এ টি পৃথিবীর ৩ নাম্বার ভয়ংকর সাপ।এটা সাধারনত ব্রাউন রঙ এর হয়ে থাকে। এটি সাধারনত ১০০ সে মি মিটার লম্বা হয়ে থাকে । এটি সবচেয়ে বেশি ফিলিপাইনে পাওয়া যায়।
এ টি পৃথিবীর ৪ নাম্বার ভয়ংকর সাপ।কিং কোবড়া সাধারনত ব্লাক , গ্রিন , ব্রাউন রঙ এর হয়ে থাকে। এটি সাধারনত ৩.৫ মিটার থেকে ৫.৫ মিটার লম্বা হয়ে থাকে। এটি ভারত, চিন , ফিলিপাইনে , মালোইসিয়া পাওয়া যায়।
এ টি পৃথিবীর ৫ নাম্বার ভয়ংকর সাপ।এটি সাধারনত ব্লাক , ব্রাউন রঙ এর হয়ে থাকে। এটি সাধারনত ১ মিটার থেকে ১.৫ মিটার লম্বা হয়ে থাকে। এটি সুইডেন্ , সিলংকা, ভারত, চিন , ফিলিপাইনে , মালোইসিয়া পাওয়া যায়।
এ টি পৃথিবীর ৬ নাম্বার ভয়ংকর সাপ।এটি সাধারনত কালো রঙ এর হয়ে থাকে। এটি সাধারনত ৪.৫ মি মিটার লম্বা হয়ে থাকে । এটি সবচেয়ে বেশি আফ্রিকায় পাওয়া যায়।
এ টি পৃথিবীর ৭ নাম্বার ভয়ংকর সাপ।এটি সাধারনত কালো , ব্রাউন রঙ এর হয়ে থাকে। এটি সাধারনত ১.৪ থেকে ২.৪ মিটার লম্বা হয়ে থাকে । এটি সবচেয়ে বেশি সুইডেন , মেক্সিকো, দক্ষিন আফ্রিকায় পাওয়া যায়। এটি দেহের যে জায়গায় দংশন করে সে জায়গা পচে যায়।
এ টি পৃথিবীর ৮ নাম্বার ভয়ংকর সাপ।এটি সাধারনত কালো রঙ এর হয়ে থাকে। এটি সাধারনত ১.৮ মিটার লম্বা হয়ে থাকে । এটি সবচেয়ে বেশি সুইডেন , চিন ।ফিজি পাওয়া যায়।
এ টি পৃথিবীর ৯ নাম্বার ভয়ংকর সাপ। এটি সাধারনত হলুদ বা অলিভ রঙ এর হয়ে থাকে। এটি সাধারনত ১.২ থেকে ১.৮ মিটার লম্বা হয়ে থাকে । এটি সবচেয়ে বেশি অস্টলিয়া , গ্রিস , পাওয়া যায়।
এ টি পৃথিবীর ১০ নাম্বার ভয়ংকর সাপ। এটি সাধারনত লাইট বা কালো সবুজ মিশ্রত রঙ এর হয়ে থাকে। এটি সাধারনত ৩ মিটার লম্বা হয়ে থাকে । এটি সবচেয়ে বেশি আর্জেন্টিনা , ব্রাজিল , পেরাগুয়ে তে বেশি পাওয়া যায়।